• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 15 July, 2026

হরমুজ ঘিরে ফের চরম উত্তেজনা, পশ্চিম এশিয়ায় ২০ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন আমেরিকার, অনড় ইরান

ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজের আশপাশে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ভাণ্ডার, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নৌ-ঘাঁটির একাধিক অংশ ধ্বংস করা হয়েছে

হরমুজ ঘিরে ফের চরম উত্তেজনা, পশ্চিম এশিয়ায় ২০ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন আমেরিকার, অনড় ইরান

Warship Photo-SNS

পশ্চিম এশিয়ায় ফের তীব্র উত্তেজনা চরমে। হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও ইরানের সংঘাত আরও বেড়েছে। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী ও আশপাশের এলাকায় ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং কয়েকশো যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এই অঞ্চলে নৌ-অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে এবং মার্কিন বাহিনী যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত।

অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, আমেরিকা সামরিক চাপ ও হামলা বন্ধ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী নিয়ে তাদের অবস্থানের কোনও পরিবর্তন হবে না। ইরানের উপ-বিদেশমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি অভিযোগ করেছেন, সামরিক অভিযান চালিয়ে আমেরিকাই আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করেছে। তাই আপাতত ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসার প্রশ্নই নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।

এরই মধ্যে মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজের আশপাশে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ভাণ্ডার, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নৌ-ঘাঁটির একাধিক অংশ ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের দাবি, একাধিক হামলায় সেনা ব্যারাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কয়েকজন সেনার মৃত্যু হয়েছে এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলও ফের অনিশ্চয়তার মুখে। ফলে উত্তেজনা বাড়তেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান আলোচনায় না ফিরলে আগামী দিনে আরও বড় সামরিক হামলা চালানো হবে। তবে তেহরানের পাল্টা বার্তা, চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করবে না। ফলে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে এবং বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কাও বাড়ছে।