জার্মানির রাস্তায় প্রকাশ্যে চলল এলোপাথাড়ি গুলি। গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে অনেকে আহতও হয়েছেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই দু’জন সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার উত্তর জার্মানির স্টাডে শহরে একটি যুবকেন্দ্রে দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন বিকেলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।
পুলিশ সূত্রের খবর, সোমবার দুষ্কৃতীরা স্টাডে শহরের যুবকেন্দ্র লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই সময়ে সেখানে অনেক পথচারী উপস্থিত ছিলেন। দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালানোয় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ওই এলাকায় আর কোনও বিপদ নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এদিন দুষ্কৃতীদের হামলার আগে স্টাডের যুবকেন্দ্রের উপর দিয়ে একটি হেলিকপ্টারকে চক্কর কাটতে দেখা গিয়েছিল। আর তারপরেই ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রের খবর, ওই এলাকায় আরও কোনও বিপদের আশঙ্কা না থাকলেও পুলিশ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য আপাতত দুর্ঘটনাগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে এলাকাটি ছেড়ে যাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে দুষ্কৃতীরা কেন ও কী কারণে এই হামলা চালাল, তা এখনও জানবা যায়নি। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
হামবুর্গের পশ্চিমে অবস্থিত স্টাডে শহরের জনসংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। সেখানে এরকম ঘটনা ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় জার্মানিতে বন্দুক আইন আরও কঠোর। সেখানে গোলাগুলির ঘটনাও কম ঘটে। বন্দুকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার আগে ২৫ বছরের কম বয়সী লোককে মনোরোগ সংক্রান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
জার্মানিতে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে একটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময়ে জেহোভার সম্প্রদায়ের একজন প্রাক্তন সদস্য হামবুর্গে তাদের খ্রিস্টান মণ্ডলীর ছজনকে গুলি করে হত্যা করেছিল। তারপরে নিজের উপরে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছিল।




