• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 26 June, 2026

‘বেঙ্গল ইজ ব্যাক উইথ এ ব্যাং’, শিল্পের বিপুল বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বার্তা

একের পর এক শিল্প সংস্থা এসে বিনিয়োগ করলে পশ্চিমবঙ্গের চেহারা পাল্টে যাবে বলে অনেকেই মনে করেন। তাতে বেকারের সংখ্যা কমবে

‘বেঙ্গল ইজ ব্যাক উইথ এ ব্যাং’, শিল্পের বিপুল বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বার্তা

Image: ANI

পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান সম্ভব শিল্প গড়ে উঠলে রাজ্যে। আবার টাটাকে ফিরিয়ে আনা হবে রাজ্যে। শিল্প বিরোধী তকমা তাহলেই কেটে যাবে। সিঙ্গুরেও শিল্প হবে। এই কথাগুলি আগেই বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার পশ্চিমবঙ্গকে আবার বাণিজ্যের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের খতিয়ান সামনে আনল রাজ্য সরকার। শুক্রবার একাধিক বণিকসভাকে নিয়ে হওয়া বাণিজ্য সম্মেলনে বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে মোট ১৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

এদিকে শিল্প যাতে বঙ্গে আসে তার জন্য নানা প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে বিজেপি সরকার। রাজ্য বাজেটেও তার উল্লেখ আছে। এদিন বণিকসভায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, ‘বেঙ্গল ইজ ব্যাক। ব্যাক উইথ আ ব্যাং।’ একই সঙ্গে শিল্প সম্মেলনে অতীতের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রীর দাবি, ‘আজকের বাংলায় সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পপতি, সবারই কিছু না কিছু অভিযোগ আছে। এই রাজ্যটি কার্যত অখুশি রাজ্যে পরিণত হয়েছিল। যা বদলাতে এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু হয়েছে।’

অন্যদিকে একের পর এক শিল্প সংস্থা এসে বিনিয়োগ করলে পশ্চিমবঙ্গের চেহারা পাল্টে যাবে বলে অনেকেই মনে করেন। তাতে বেকারের সংখ্যা কমবে। এমনকী পরিযায়ী শ্রমিকদের এই রাজ্য ছেড়ে ভিন রাজ্যে যেতে হবে না। এই সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী জানান, ওড়িশা গত দিনে অত্যন্ত ভাল কাজ করে আমাদের টপকে গিয়েছে। এখন ওড়িশার সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যে সরাসরি লড়াই করতে হবে। রাজ্যে এখন সম্পূর্ণ ব্যবসা ও বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে দাবি করে স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘আমাদের সরকারের বাজেট দেখে অনেকেই সমালোচনা করে বলেছেন, এটা রাজ্যের বাজেট নয়, কেন্দ্রের বাজেট। তা যাই বলুন না কেন, এই আর্থিক সাহায্য আমাদের রাজ্যের অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন যা করেছেন সেটা বাংলার স্বার্থেই প্রয়োজন।’

তাছাড়া অর্থমন্ত্রীর বার্তা, রাজ্য সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেও আসল ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’ হলেন ব্যবসায়ীরাই। তাঁরাই রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। শিল্পমহলের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে এবার ‘ল্যান্ড সিলিং অ্যাক্ট’ সরলীকরণ করার পথেও কাজ চলছে। এখানে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যাল পশ্চিমবঙ্গের এখনকার অর্থনৈতিক অবস্থান নিয়ে কিছু জরুরি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, ‘বিগত দিনে রাজনীতি এবং ভুল অর্থনীতি এখানকার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে অনেকটাই নামিয়ে দিয়েছে। বাঙালিরা ব্যবসা করতে পারে না, এটা ভুল কথা। বলা ভাল, বাঙালিরা ব্যবসা করতে চায় না। অথচ ব্যবসা বাঙালির রক্তেই আছে।’