• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 20 June, 2026

‘সাংসদদের রদবদল শুধু ট্রেলার, সিনেমা বাকি রয়েছে,’ উদ্ধবকে খোঁচা শিন্ডের

তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শিবসেনা কোনও স্থাবর সম্পত্তি না। রক্তের সম্পর্কের দোহাই দিয়ে যে কেউ শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের উত্তরাধিকারী হতে পারবে না।

মুম্বইয়ে শিবসেনার ৬০ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে উদ্ধব ঠাকরেকে রীতিমতো তুলোধনা করলেন মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। শুক্রবার উদ্ধব ঠাকরেকে একেবারে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন একনাথ শিন্ডে। আর সেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিবসেনা শিবিরের ছ’জন সাংসদের এই বিদ্রোহ শুধু ট্রেলার, সিনেমা এখনও বাকি রয়েছে।

উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা শিবিরের ছ’জন লোকসভা সাংসদ দলবদল করতে পারে বলে রাজ্য-রাজনীতিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার মুম্বইয়ের গোরগাঁওয়ের নেস্কো সেন্টারে শিবসেনার প্রতিষ্ঠা দিবস কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই মঞ্চ থেকে শিন্ডে উদ্ধব ঠাকরেকে নিশানা করে বলেন, ‘এটা তো শুধু ট্রেলার। এখনও আসল সিনেমা বাকি রয়েছে। এবার দেখুন ধীরে ধীরে আর কী কী হয়।’

তবে শিন্ডে শুধু এখানেই থেমে থাকেননি। এরপরে উদ্ধব ঠাকরেকে পরামর্শের সুরে বলেন, ‘কেন আপনার ঘরের লোক আপনাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সেটা আগে ঘরে বসে ভাবুন। গায়ে বাঘের ছাল চাপালেই নেকড়ে বাঘ হয়ে যায় না। ২০২২ সালে আমি যখন বিদ্রোহের ডাক দিয়েছিলাম, তখন নেকড়েগুলো আমাকে হুমকি দিয়েছিল।’ তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শিবসেনা কোনও স্থাবর সম্পত্তি না। রক্তের সম্পর্কের দোহাই দিয়ে যে কেউ শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের উত্তরাধিকারী হতে পারবে না।

শিন্ডে জানান, বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট মহায়ুতি বিধান পরিষদের ১৭টি আসনেই জয়লাভ করার দিকে এগোচ্ছে। এর মধ্যে বিজেপি, শিবসেনা ও এনসিপি জোট ছ’টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। শিন্ডে উদ্ধব ঠাকরের রাজনীতি করার ধরন নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। শিন্ডে বলেন, ‘একজন সেনাপতি শুধু ঘরে বসে থাকে না। যুদ্ধক্ষেত্রে নেমে সামনাসামনি লড়াই করতে হয়। যেমনটা আমি করি।’ বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে উদ্ধব শিবিরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আপনারা সকালে উঠে এনাদেরকে অভিশাপ দেন। তারপরে সন্ধ্যায় আবার এনাদের নিয়েই ভাল কথা বলেন।’

তবে শুধু উদ্ধব ঠাকরেকে নয়, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও শিন্ডে কটাক্ষ করেছেন। বারংবার হেরে যাওয়ার পরেও রাহুল গান্ধীই দলের নেতা হয়ে রয়ে গিয়েছেন বলে তিনি রাহুলকে নিশানা করেছেন। তবে এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। একনাথ শিন্ডে বলেন, ‘মোদী দেশের দীর্ঘতম মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি জওহরলাল নেহরুর রেকর্ডকে পিছনে ফেলে দিয়ে একযুগ সম্পন্ন করেছেন।’