তৃণমূল আমলে মেলেনি কোনও সরকারি প্রেক্ষাগৃহ। সাংস্কৃতিক জগতে রাজনীতিকরণ যে শুধু সিনেমাতেই আটকে ছিল, এমনটা নয়। থিয়েটার করতে গিয়েও একইভাবে প্রবল বঞ্চনার শিকার হয়েছেন নাট্যকর্মীরা। তারই জলজ্যান্ত উদাহরণ নয়াবাদ তিতাস। শর্বরী মুখার্জির নাট্যদল নয়াবাদ তিতাসকে কার্যত যুদ্ধ করে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হয়েছিল।
তবে অপশাসনের সেই অন্ধকার সময় কেটেছে। রাজ্যের মসনদে বসেছে বিজেপি। আর তাই দীর্ঘ ৭ বছর পর আবারও রবীন্দ্র সদনে পা রাখলেন বিধায়ক শর্বরী মুখার্জি। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সদনে মহাসমারোহে পালিত হলো নয়াবাদ তিতাসের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। নানা গুণীজনের উপস্থিতিতে এদিন উদযাপিত হয় দলের জন্মদিন।
উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামার (এনএসডি) ডিরেক্টর চিত্তরঞ্জন ত্রিপাঠি, সংস্কার ভারতীর সর্বভারতীয় সম্পাদিকা নীলাঞ্জনা রায়, বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী এবং ইন্দ্রনীল ঘোষ। ‘ভবিষ্যতের থিয়েটারকে আপনি কীভাবে দেখতে চান?’ শীর্ষক বিষয়ে এদিন আলোচনা করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবির। উপস্থিত ছিলেন নয়াবাদ তিতাসের সভাপতি অভিজিৎ রায়। গোটা অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিলেন কৃশানু গোস্বামী এবং অরিজিনাল ওয়ান থিয়েটার।
আলোচনাসভার শেষে মঞ্চস্থ হয় নয়াবাদ তিতাসের নিজস্ব প্রযোজনা ‘অপাঙক্তেয়’। নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন আবির। নাটকে নজরকাড়া অভিনয় করেন দলের কর্ণধার শর্বরী মুখার্জি।অনুষ্ঠানের প্রথমার্ধে সঞ্চালনার দায়িত্বও নেন শর্বরী মুখার্জি। সেখানে দর্শকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। শর্বরী বলেন, ‘দীর্ঘ ৭ বছর পর রবীন্দ্র সদনের মঞ্চে নয়াবাদ তিতাস নাট্য উপস্থাপনার সুযোগ পেয়েছে। আমাদের নাট্যদল আবারও মূল স্রোতে ফিরতে পেরে আপ্লুত।’




