• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 9 August, 2026

ডিম থেরাপির বিরুদ্ধে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে, মমতার বাড়িতে বসল ভিউ কাটার

মামলকারী আইনজীবীর প্রশ্ন, প্রকাশ্য রাস্তায় জনপ্রতিনিধিদের ওপর এই ধরনের হেনস্থা বারবার কেন করা হচ্ছে?

ডিম থেরাপির বিরুদ্ধে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে, মমতার বাড়িতে বসল ভিউ কাটার

File Photo

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের থেকে শুরু করে কাউন্সিলরদের বাগে পেলেই মারা হচ্ছে কাঁচা ডিম। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ডিম হামলা থেকে বাদ যাননি। খোদ বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে ডিম মারা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে। এই নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে যায়। এই প্রক্রিয়াকে ডিম থেরাপি বলা হচ্ছে। এবার এই ডিম থেরাপির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলো কলকাতা হাইকোর্টে।

এদিকে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে ডিম থেরাপির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী অতীন্দ্র চৌধুরী। আর সেখানে এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে। এমন হেনস্থা কেন? বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধান চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করা হয় জনস্বার্থ মামলাকারীর। আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানি সম্ভাবনা রয়েছে। কুণাল ঘোষকে ডিম মারার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আর তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়ির উঠোনে বসানো হয়েছে ভিউ কাটার।

অন্যদিকে মামলকারী আইনজীবীর প্রশ্ন, প্রকাশ্য রাস্তায় জনপ্রতিনিধিদের ওপর এই ধরনের হেনস্থা বারবার কেন করা হচ্ছে? বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গোটা ঘটনার একটি নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধান চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন আইনজীবী অতীন্দ্র চৌধুরী। প্রকাশ্য স্থানে রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং এই ধরনের অনভিপ্রেত আক্রমণ ঠেকাতে কলকাতা হাইকোর্টের জরুরি হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। এই আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বাইরে সোমবার বেরনোর পর আচমকাই ডিম থেরাপির মুখে পড়েছিলেন কুণাল ঘোষ। তারপরই এবার ভিউ কাটার বসানো হলো।

তাছাড়া ভোট পরবর্তী নতুন বাংলায় ‘ডিম থেরাপি’ চর্চিত বিষয় হয়ে উঠেছে। তাই এবার আইনি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তাতে রাশ টানতেই এই মামলা করা হয়েছে। এই ডিম থেরাপির পর সংবাদমাধ্যমের সামনে বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন,‘ডিমটি যেভাবে এসে লেগেছে তাতে তাঁর বাঁ চোখ অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। গোটা ঘটনা আসলে ‘বাঁদরামি’ এবং ‘অসভ্যতা’। কোনও জনরোষ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাওয়া নেত্রীর বাড়ির উচ্চ নিরাপত্তা বলয় থাকা সত্ত্বেও পুলিশের ভূমিকা ও নিষ্ক্রিয়তা সামনে এসেছে। পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে আছে। সিআইডি রেইডের সময় যে সাক্ষী ছিল সেই এই হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার জল অনেকদূর গড়াবে।’