• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 16 June, 2026

জি৭ সম্মেলনে ইরান চুক্তি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ট্রাম্প, সন্দিহান মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিশ্বের জ্বালানি বাজারের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই চুক্তির সফল বাস্তবায়নের উপরে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলা দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে চলতি সপ্তাহেই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এই বিষয়ে আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চুক্তি ঘিরে এখনই নিশ্চিত হতে পারছে না ওয়াশিংটন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-সহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা এই চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দিহান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ-সহ মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ মনে করছেন, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে চুক্তির সবকটি শর্ত কতটা মানবে তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের মতে, ইরানের আসল অবস্থান এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।

অন্যদিকে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ এই চুক্তি নিয়ে আশাবাদী। তাদের দাবি, আলোচনা এগোচ্ছে এবং চুক্তি হলে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমবে। চুক্তির মূল বিষয়গুলি এখনও বিশদভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। তবে জানা যাচ্ছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচী নিয়ন্ত্রণে আনা এবং আন্তর্জাতিক বা বিদেশি সংস্থার নজরদারি বাড়ানো এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। পাশাপাশি হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব পড়তে পারে। কারণ হরমুজ় প্রণালী হল বিশ্বের তেল পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরলে তেলের সরবরাহ ও দাম দুটোই প্রভাবিত হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিশ্বের জ্বালানি বাজারের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই চুক্তির সফল বাস্তবায়নের উপরে।