• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 11 June, 2026

রোনাল্ডোর গোলখরা অব্যহত, তবু জিতে বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রাখল পর্তুগাল

বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে পর্তুগাল জয় পেলেও স্কোরলাইনের আড়ালে থেকে গেল একটি বড় প্রশ্ন, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর গোলখরা কবে কাটবে?

বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে পর্তুগাল জয় পেলেও স্কোরলাইনের আড়ালে থেকে গেল একটি বড় প্রশ্ন— ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর গোলখরা কবে কাটবে?

লেইরিয়ার এস্তাদিও ড. মাগালহায়েস পেসোয়া স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে নাইজেরিয়াকে ২-১ গোলে হারায় পর্তুগাল। ম্যাচের নায়ক পেদ্রো নেতো ও ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, যাঁদের গোলে বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল পর্তুগিজ বাহিনী।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় পর্তুগাল। ব্রুনো ফার্নান্ডেজ, ভিতিনহা এবং জোয়াও নেভেসের মিডফিল্ড-ত্রয়ী বারবার নাইজেরিয়ার রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে। তার ফল তারা পায় ২৩ মিনিটে। বাঁ দিক থেকে দুরন্ত আক্রমণ গড়ে তুলে গোল করে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন পেদ্রো নেতো।

তবে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি নাইজেরিয়া। শারীরিক সক্ষমতা ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে তারা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যায়। ৩৭ মিনিটে আখোর অ্যাডামস পর্তুগিজ রক্ষণকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান। তাঁর গোলেই প্রথমার্ধ ১-১ অবস্থায় শেষ হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় পর্তুগাল। একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। বিশেষ করে রোনাল্ডো একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা কয়েকবার গোলরক্ষকের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান অবস্থায় পৌঁছেও বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন। বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিনিশিং নিয়ে তাই কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হতেই পারে সমর্থকদের মনে।

অবশেষে ৭৮ মিনিটে পরিত্রাতা হয়ে ওঠেন ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও। ব্যক্তিগত দক্ষতায় ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশে ম্যাচের নির্ণায়ক গোলটি করেন তিনি। সেই গোলের পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি নাইজেরিয়া।

এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের আগে নিজেদের প্রস্তুতি পর্ব ইতিবাচকভাবে শেষ করল রবার্তো মার্তিনেজের দল। তবে রোনাল্ডোর গোল না পাওয়া এবং আক্রমণভাগের কিছু সুযোগের অপচয় পর্তুগাল শিবিরে চিন্তার কারণ হয়ে থাকল।

আগামী ১৭ জুন গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে পর্তুগাল। তার আগে এই জয় আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও বিশ্বকাপের আসল লড়াইয়ে আরও ধারালো পারফরম্যান্সের অপেক্ষায় থাকবে পর্তুগিজ সমর্থকেরা।