• facebook
  • twitter
Thursday, 28 May, 2026

কর্ণাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে ডিকে শিবকুমার!

আজ সিদ্দারামাইয়ার বাসভবনে প্রাতরাশ, শুরু জল্পনা

মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন সিদ্দারামাইয়া। বৃহস্পতিবার নিজের বাসভবনে মন্ত্রীসভার সদস্যদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক হয়। সিদ্দারামাইয়ার জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। তিনিও আজকে প্রাতরাশের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শিবকুমারের নাম ঘোষণা করা হয় বলে খবর। সিদ্দারামাইয়ার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন শিবকুমার। তাঁর আশীর্বাদও নেন তিনি।

কর্ণাটকের মন্ত্রী এইটকে পাটিল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সিদ্দারামাইয়া নিজেই বৈঠকে জানিয়েছেন, ডিকে শিবকুমার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবে’। তিনি আরও বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বিকেল ৩টে নাগাদ ইস্তফা দেবেন। সিদ্দারামাইয়া বলেছেন, আমরা ডি কে শিবকুমারকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী করব, ওঁ মুখ্যমন্ত্রী হবেন।‘

Advertisement

২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই সিদ্দারামাইয়া ও ডিকে শিবকুমারের মধ্যে ‘রোটেশনাল চিফ মিনিস্টার’ ফর্মুলা নিয়ে জল্পনা চলছিল। যদিও কংগ্রেস নেতৃত্ব কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনও চুক্তির কথা স্বীকার করেনি। তবুও গত তিন বছর ধরে মাঝে মাঝেই নেতৃত্ব বদলের গুঞ্জন শোনা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে সিদ্দারামাইয়া তাঁর মন্ত্রীসভার সিনিয়র সদস্যদের নিয়ে একটি ব্রেকফাস্ট বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরেই নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়।

Advertisement

বিজেপি এ নিয়ে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন। প্রাক্তন কর্ণাটক মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ বাসবরাজ এস বোম্মাই দাবি করেন, সিদ্দারামাইয়াকে সরানো হলে অনগ্রসর শ্রেণির ভোটাররা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারেন। বোম্মাই বলেন, ‘এতে কংগ্রেস এবং কর্ণাটকের নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে অনগ্রসর শ্রেণির মানুষ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে যাবে। এটি কংগ্রেসের তরফে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, বিশেষ করে রাহুল গান্ধীর।‘

তিনি আরও বলেন, “রাহুল গান্ধী ওবিসিদের নিয়ে রাজনীতি করেন, অথচ একজন ওবিসি মুখ্যমন্ত্রীকেই সরিয়ে দিচ্ছেন। পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য তাঁর ‘কুমিরের কান্না’ এখন প্রকাশ্যে এসেছে।“

বোম্মাই আরও অভিযোগ করেন যে, সিদ্দারামাইয়া ও ডি কে শিবকুমারের দ্বন্দ্বের জেরে কর্ণাটকের প্রশাসন অচল হয়ে পড়েছে। তাঁর দাবি, শুরু থেকেই দুই নেতার মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক ছিল। তবে এ নিয়ে জল্পনা চললেও কংগ্রেস হাইকমান্ড বা সিদ্দারামাইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নেতৃত্ব পরিবর্তনের ঘোষণা করেনি।

 

 

Advertisement