শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদে সভাধিপতির অফিসের সাজসজ্জা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন অভিযোগ করেছেন, সাধারণ মানুষের উন্নয়নের অর্থ ব্যবহার করে অত্যন্ত বিলাসবহুল অফিস তৈরি করা হয়েছে, যা জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী।
বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর প্রথমবার মহকুমা পরিষদে গিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেন আনন্দময় বর্মন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফাঁসিদেওয়ার বিধায়ক দুর্গা মুর্মু। বৈঠকে চলমান প্রকল্পগুলির কাজের খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি তিনি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য তারিখ নির্ধারণেরও নির্দেশ দেন।
Advertisement
তবে সভাধিপতির নতুন অফিস ঘর পরিদর্শনের সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়ক। তাঁর অভিযোগ, প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে অফিস সংস্কারের নামে অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই অর্থ সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা যেত, যেমন রাস্তা বা পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে।
Advertisement
অন্যদিকে, সভাধিপতি অরুণ ঘোষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র একটি ঘর নয়, একাধিক কক্ষ ও মেঝের সংস্কারের কাজ হয়েছে এবং খরচের পরিমাণ ছিল ২৩ লক্ষ টাকা। সমস্ত নথিপত্রও সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ির রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।
Advertisement



