• facebook
  • twitter
Monday, 25 May, 2026

কিউবার ক্ষুধার্থ মানুষের জন্য ৬০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠাচ্ছে চিন

শনিবার বেজিংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তারা কিউবায় ৬০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠাবে

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত কিউবা। দীর্ঘদিন ধরে চলা আর্থিক অবরোধ এবং সাম্প্রতিক কড়াকড়ির ফলে কিউবায় খাদ্য ও জ্বালানির তীব্র সঙ্কট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বহু সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন খাবার জোগাড় করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে কিউবার পাশে দাঁড়াল চিন

শনিবার বেজিংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তারা কিউবায় ৬০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠাবে। প্রথম দফায় ১৫ হাজার টন খাদ্যশস্য ইতিমধ্যেই পাঠিয়েছে বেজিং। যা হাভানায় পৌঁছেও গিয়েছে। কিউবার ৯৬ লক্ষ মানুষের খাদ্যসঙ্কট মোকাবিলায় চিন থেকে পাঠানো এই খাদ্যশস্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কয়েক দিনের মধ্যে কিউবায় আরও ৪৫ হাজার টন খাদ্যসামগ্রী পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছে বেজিং।

Advertisement

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে কিউবায় ভয়াবহ জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটখাদ্যাভাব এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ঘাটতিতে কার্যত বিপর্যস্ত এই দ্বীপরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য হল কিউবার সমাজতান্ত্রিক পরিকাঠামোকে ভেঙে দেওয়া। গত সপ্তাহে কিউবার নেতা রাউল গিলারমো রদ্রিগেজ কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ঘটনাও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কূটনৈতিক মহলের আশঙ্কানিকোলাস মাদুরোকে ঘিরে অতীতে যে ধরনের আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হয়েছিলকিউবার ক্ষেত্রেও তেমন কৌশল নেওয়া হতে পারে।

Advertisement

কিউবার এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে চিনের সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় খাদ্যশস্য দান করেছেন বলে জানা গিয়েছে। সেই খাদ্যসামগ্রীই ধাপে ধাপে কিউবায় পাঠানো হচ্ছে। শনিবার চিনের একটি জাহাজ খাদ্যশস্য নিয়ে হাভানা বন্দরে পৌঁছলে কিউবার মন্ত্রী ও শীর্ষ আধিকারিকরা তা গ্রহণ করেন। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল চিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘গভীর বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক দুই দেশকে আরও কাছাকাছি এনেছে। চিনের ভূমিকায় এটা স্পষ্ট যে, এই কঠিন সময়েও কিউবা একা নয়।

Advertisement