সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। তাঁকে দু’বার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় ১.২ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়।
এছাড়াও ১ এপ্রিল কলকাতার ছ’টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায় ইডি। সোনা পাপ্পুর বালিগঞ্জের বাড়ি, বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থার অফিস এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রাহুল দাসের বাড়িতেও তল্লাশি চলে।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, পুরো চক্রটি ভুয়ো নথি তৈরি করে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা করত এবং সেই জমির উপর ভিত্তি করে বেআইনি নির্মাণ ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসা চালাত। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ সংগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই অর্থের কিছু অংশ বিদেশে পাঠানো হয়েছে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।
এছাড়াও গত মাসে রিয়েল এস্টেট সংস্থা মার্লিন গ্রুপের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়, যার মধ্যে ছিল সংস্থার প্রোমোটার সুশীল মোহতা ও তাঁর পুত্র সাকেত মোহতার বাসভবনও। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, কলকাতার রিয়েল এস্টেট ক্ষেত্রে জমি দখল ও আর্থিক অনিয়মের বৃহত্তর চক্রের অংশ হিসেবেই এই তদন্ত চলছে।



