বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোটের আগে কড়া সতর্কবার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। ভুয়ো ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে কেবল ভোট বাতিলই নয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথে অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ক্যামেরার মাধ্যমে বুথের ভিতরের প্রতিটি কার্যকলাপ সরাসরি নজরে রাখা হবে। এই নজরদারির সংযোগ থাকবে কলকাতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ এবং জেলা স্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে।
Advertisement
দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন নজরদারির ফলে বুথের ভিতরে কোনওরকম অনিয়ম সহজেই ধরা পড়বে। ভুয়ো ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হবে।’
Advertisement
কমিশন আরও জানিয়েছে, ভুয়ো ভোটের চেষ্টা ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দোষী প্রমাণিত হলে এক বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড হতে পারে। এমনকি ভুলবশত বা অসাবধানতাবশত এই ধরনের কাজ হলেও আইনি জটিলতা এড়ানো যাবে না বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এই ব্যবস্থা ‘এক ব্যক্তি, এক ভোট’ নীতিকে সুরক্ষিত রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কমিশন। সাধারণ মানুষ যাতে কোনও অভিযোগ বা পরামর্শ সরাসরি জানাতে পারেন, তার জন্য বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
দ্বিতীয় দফার ভোটে ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে বিপুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২,৪০৭টি কোম্পানির পাশাপাশি রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন।
প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক থাকছেন, অর্থাৎ মোট ১৪২ জন। এছাড়াও ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক থাকবেন, যা প্রথম দফার তুলনায় বেশি।
Advertisement



