আইপিএল ক্রিকেটে গত ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে অজিঙ্কা রাহানের কলকাতা নাইট রাইডার্স দল। রবিবার কলকাতা দলের মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার দিন লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে। প্রথম সাক্ষাৎকারে ইডেন উদ্যানে লখনউর কাছে হেরে গিয়েছিল কলকাতা। আবার গত ম্যাচে লখনউ দলের হার অবশ্যই কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে তারা। কলকাতা প্রথম জয়ের স্বাদ পাওয়ার পরে লখনউকে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করাতে চাইবেন অজিঙ্কা রাহানেরা। একদিকে অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে আর অন্য প্রান্তে অধিনায়ক ঋষভ পন্থের মধ্যে মর্যাদার লড়াইয়ে কে বাজিমাত করবে, এটাই এখন ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলকাতা দলে বেশ কয়েকজন চোটের কারণে এখনও মাঠের বাইরে রয়েছেন।
তবে মাথিশা পাথিরানা দলে ফিরতে কিছুটা শক্তি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কলকাতা দল লিগ টেবলে সবার নীচে রয়েছে। ঠিক তার উপরেই রয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। অর্থাৎ নবম স্থানের সঙ্গে দশম স্থানের দলের খেলাটা শেষ পর্যন্ত কোন জায়গায় গিয়ে পৌঁছবে তার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে। সেই কারণেই দু’দলের কাছেই এই খেলাটা অত্যন্ত মর্যাদার লড়াই। কেকেআরের পক্ষে যেটা সবচেয়ে স্বস্তির ব্যাপার, তা হল লখনউ দল হোম ম্যাচে তিনটিতে অংশ নিয়েছে আর তিনটিতেই হার স্বীকার করেছে তারা। দিল্লি ও গুজরাত এখানে রান তাড়া করে অনায়াসে জিতে নিয়েছে লখনউয়ের বিরুদ্ধে। আর রাজস্থান প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঋষভ পন্থদের হারিয়ে দিয়েছে ৪০ রানে। লখনউ দলের আইডেন্ট মার্করাম, মিচেল মার্শ, নিকোলাস পুরানের মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান দলে থাকলেও লখনউ দল ভালো জায়গায় পৌঁছতে পারেনি এখনও পর্যন্ত।
Advertisement
বেশ কিছুদিন বিশ্রামের পরে কেকেআর দল লখনউয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে। গত ম্যাচে রিঙ্কু সিং যে ধারায় খেলেছেন, সেই ছন্দটা ধরে রাখতে পারলে, কলকাতা কিন্তু এগিয়ে থাকতে পারবে। ক্যামেরন গ্রিন একটি ম্যাচে ভালো খেললেও অন্য ম্যাচগুলিতে নজর কাড়তে পারেননি। সেই কারণে ক্যামেরন গ্রিনকেও ভাবতে হবে কলকাতাকে কীভাবে জেতানো সম্ভব হয়। সুনীল নারাইনের প্রতি আগে প্রচুর ভরসা করা যেত, কিন্তু নারাইন এখনও পর্যন্ত সেইভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারেননি। যেকথা বলা হয়েছে, রিঙ্কুর ব্যাপারে সেই কথা ভেবেই যদি আবার রানে ফিরতে পারেন নারাইন, তাহলে কলকাতা লখনউকে চাপের মুখে রাখতে পারবে।
Advertisement
অঙ্গকৃশ রঘুবংশী পুরনো ফর্মে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। বরুণ চক্রবর্তী, রমনদীপ সিং ও অনুকূল রায় ঠিক মতো উইকেটে বল করতে পারেন, তাহলে প্রতিপক্ষ দলকে চাপে রাখা যেতে পারে। রভম্যান পাওয়েলকে ঠিক মতো ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এখন দেখার বিষয়, কার্তিক ত্যাগী বা বৈভব অরোরারা কী ভূমিকা নেন, সেটাও দেখা হচ্ছে। রাচিন রবীন্দ্রকে জায়গা দিতে গেলে টিম সেইফার্টকে বাদের তালিকায় রাখতে হবে। লখনউ দলের সবচেয়ে ভরসার নাম মুকুল চৌধরী সঙ্গে আয়ুষ বাদোনি। বোলিং বিভাগে মহম্মদ শামি কোনও অঘটন ঘটাতে পারবেন কিনা, সেটাও দেখার বিষয়।
Advertisement



