জমি দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইডি ইতিমধ্যেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল। এবার বালি পাচার মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত রবিবার ফার্ন রোডে তাঁর বাড়িতে ইডির তল্লাশির পর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের দিন বুধবার তাঁকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল অগ্রবালকেও তলব করা হয়েছে।
সম্প্রতি বালি পাচার তদন্তে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায় ইডি। তবে ঠিক কোন নির্দিষ্ট মামলার জন্য শান্তনু ও সুনীলকে ডাকা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে শান্তনু ও তাঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, নিজের প্রভাব খাটিয়ে জয়কে বিভিন্ন জমি পাইয়ে দিতে সাহায্য করতেন তিনি।
Advertisement
ইডি জানিয়েছে, জয়দের মূল লক্ষ্য ছিল তিন ধরনের জমি—যৌথ মালিকানাধীন জমি, ভাড়াটে সংক্রান্ত জটিলতায় জড়ানো জমি এবং রাজ্যের বাইরে থাকা মালিকদের জমি। এছাড়া তদন্তে উঠে এসেছে, রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের একাধিক স্তরে জয়ের যোগাযোগ ছিল, যার মধ্যে শান্তনুও অন্যতম।
Advertisement
এমনকি শান্তনুর দুই পুত্রের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযুক্তের ডায়েরি থেকে বিভিন্ন পুলিশ আধিকারিককে দেওয়া উপহারের তথ্যও মিলেছে, যেখানে ‘শান্তনু স্যার’-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া ফার্ন রোডে শান্তনুর বাড়ির প্লটে জয় একটি বেআইনি নির্মাণ করছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
Advertisement



