• facebook
  • twitter
Thursday, 16 April, 2026

দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতে সবচেয়ে বড় নিশ্চয়তা নারীদের অংশগ্রহণ, বার্তা মোদীর

প্রশাসনে সংবেদনশীলতা ও কার্যকারিতা বেড়েছে। জল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

নারীদের সিদ্ধান্তগ্রহণে অংশগ্রহণই দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় নিশ্চয়তা—এমনই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ‘নারী শক্তি বন্দন’ কর্মসূচি উপলক্ষে বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই উদ্যোগ দেশের নারীদের স্বপ্নপূরণে নতুন দিশা দেখাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নারীদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে দেশজুড়ে যে আলোচনা চলছে, তা গণতন্ত্রের শক্তিকেই প্রমাণ করে। তাঁর মতে, স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে সংবিধান প্রণয়ন পর্যন্ত দেশের নারীশক্তি সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Advertisement

স্বাধীনতার পরেও যেসব নারী নেতৃত্বের সুযোগ পেয়েছেন, তাঁরা দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন এবং দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে দেশজুড়ে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় প্রায় ১৪ লক্ষেরও বেশি নারী কাজ করছেন। এর ফলে প্রশাসনে সংবেদনশীলতা ও কার্যকারিতা বেড়েছে। জল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

তিনি বলেন, ‘জল জীবন মিশন’-এর মতো প্রকল্পে পঞ্চায়েত স্তরে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা এই সাফল্যের বড় উদাহরণ।

‘বিকশিত ভারত’ গঠনের লক্ষ্যে নারীদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন মোদী। তাঁর মতে, ‘নারী শক্তি বন্দন’ আইন নারীদের পঞ্চায়েত থেকে সংসদ পর্যন্ত পৌঁছনোর পথ আরও সহজ করবে।

এছাড়া নারীদের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি। কন্যা সুরক্ষা, মাতৃত্বকালীন সহায়তা, সঞ্চয় প্রকল্প, স্বাস্থ্য কর্মসূচি ও আবাসন—সব ক্ষেত্রেই নারীদের ক্ষমতায়নের দিকে জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেষে তিনি সাংসদদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, নারীদের স্বার্থে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একইসঙ্গে এই কর্মসূচির বার্তা দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেন তিনি।

Advertisement