আসন্ন নির্বাচনের আগে নজিরবিহীন নজরদারির ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন। বুথের ভিতর-বাইরে এআই-সক্ষম ক্যামেরা, গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকিং এবং ত্রিস্তরীয় মনিটরিং— সব মিলিয়ে স্বচ্ছ ও নিরাপদ ভোট করাতে কড়া প্রস্তুতির বার্তা দিল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল ও ইলেকশন অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত জানান, প্রতিটি বুথেই থাকবে দু’টি করে এআই-সক্ষম ক্যামেরা ও ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি। সংবেদনশীল বুথে বাড়তি নজর— ভিতরে দু’টি ও বাইরে একটি অতিরিক্ত ক্যামেরা বসানো হবে। মক পোল শুরু হওয়ার সময় থেকেই নজরদারি চালু হবে এবং তা চলবে রিটার্নিং অফিসার, জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও সিইও দপ্তরের তিন স্তরে। প্রয়োজনে সিইসি স্তর থেকেও নজরদারি করা হতে পারে।
Advertisement
শুধু বুথ নয়, গোটা প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ফ্লাইং স্কোয়াড, কিউআরটি এবং ভোটকর্মীদের গাড়িতে ক্যামেরা থাকবে, যাতে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট পরিবহন সম্পূর্ণ ট্র্যাক করা যায়। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার ৬০০ গাড়িকে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
Advertisement
কমিশনের দাবি, রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজারের বেশি বুথে প্রায় ২ লক্ষ ক্যামেরা বসানো হবে। পাশাপাশি থাকবেন ২ হাজার ৩৫২ জন মাইক্রো অবজার্ভার এবং ৯৫৬ জন সহায়ক আধিকারিক। ইভিএম-ভিভিপ্যাটের প্রথম স্তরের পরীক্ষা শেষ, প্রায় ৩ লক্ষ ইউনিট চেক হয়েছে।
ভোটের দিন বুথে মোবাইল ব্যবহারেও কড়াকড়ি করা হবে। শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসারের কাছেই ফোন থাকবে। মেশিনের কাছে ভিড় হলে এআই ক্যামেরা থেকেই সতর্কবার্তা যাবে কন্ট্রোল রুমে। কমিশনের দাবি, অনিয়ম রুখতেই এই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি।
Advertisement



