পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে পদ্ম শিবির। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই বিজেপির মধ্যে অশান্তি শুরু হয়েছে। সোমবার রাজ্যের ১৪৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও, দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বেড়েছে। বেশিরভাগ আসনে পুরনো পদ্মবিধায়কদের পুনরায় প্রার্থী করা হলেও, কিছু আসনে নতুন মুখ আনা হয়েছে, যা দলের মধ্যে বিদ্রোহের জন্ম দিয়েছে। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরেই কোথাও দল ছাড়ার হিড়িক, আবার কোথাও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি নতুন মুখ সুভাষ পাঁজাকে প্রার্থী করেছে। তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ার পরই তমলুক সাংগঠনিক জেলা সদস্য বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহিষাদল মণ্ডল ৫-এর সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার জানা দল ছাড়ার ঘোষণা করেছেন।
Advertisement
বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ‘বিজেপি এখন কর্পোরেট সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এবং আমি আর এর সঙ্গে থাকতে চাই না।‘ দীপক কুমার জানা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, মহিষাদল ছাড়াও নন্দীগ্রাম, হলদিয়া, তমলুক এবং রাজ্যের আরও অনেক নেতা পদত্যাগ করবেন।
Advertisement
এছাড়া, আলিপুরদুয়ার বিধানসভার প্রার্থী পরিতোষ দাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলা বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। কর্মীরা জেলা কার্যালয়ের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। জেলা বিজেপি সভাপতি মিঠু দাস ঘটনাস্থলে এসে কর্মীদের ক্ষোভ শোনার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গোটা ঘটনার আমি খোঁজ নিচ্ছি। কর্মীদের কথা অবশ্যই শোনা হবে।‘
কুমারগ্রামে প্রার্থী মনোজ কুমার ওরাওকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন জেলা পরিষদের বিরোধী দলনেত্রী কল্পনা নাগ। সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হওয়ায় বিজেপির সামনে এবারের বিধানসভা নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই দলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া অসন্তোষ বিজেপিকে আরও অস্বস্তিতে ফেলেছে।
Advertisement



