• facebook
  • twitter
Saturday, 7 March, 2026

নতুন শিক্ষাবর্ষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে স্টার্টআপ, এআই থেকে ফরেনসিক সায়েন্স

২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মতো আধুনিক বিষয়ের সঙ্গে বিভিন্ন প্রচলিত বিষয় মিলিয়ে নতুন কম্বাইন্ড কোর্স চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের আগ্রহ বাড়াতে এবং জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পঠনপাঠন ও পাঠ্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মতো আধুনিক বিষয়ের সঙ্গে বিভিন্ন প্রচলিত বিষয় মিলিয়ে নতুন কম্বাইন্ড কোর্স চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন কলেজে এই নতুন বিষয়গুলি পড়ার সুযোগ পাবে ছাত্রছাত্রীরা।

প্রস্তাবিত কোর্সগুলির মধ্যে বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং রাশিবিজ্ঞানের সমন্বয়ে একটি বিষয় চালু হতে পারে। একইভাবে বায়োলজির সঙ্গে ফরেনসিক সায়েন্স যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। আবার কমার্সের সঙ্গে সাইকোলজিকেও যুক্ত করার ভাবনা চলছে। এর পাশাপাশি আরও কিছু নতুন বাজারমুখী ও স্টার্ট-আপভিত্তিক বিষয় যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে পড়ুয়ারা ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রের জন্য আরও প্রস্তুত হতে পারে।

Advertisement

এই পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক দীপ্তেন্দু চট্টোপাধ্যায়। তবে তিনি জানান, বিষয়টি এখনও বোর্ড অফ স্টাডিজের আলোচনায় রয়েছে। সেই কারণে নতুন সব বিষয়ের নাম এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ‘বিজনেস ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড বেসিক স্ট্যাটিসটিক্স’, ‘বেসিক অফ ম্যাথমেটিক্স ফর সোশাল সায়েন্সেস’, ‘ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়া কালচার’ এবং পরিবেশবিজ্ঞানের মতো নতুন বিষয় চালু হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও এ ধরনের আধুনিক বিষয় পড়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

Advertisement

গত কয়েক বছরে বেসরকারি কলেজগুলিতে কর্মমুখী কোর্স, আধুনিক পরিকাঠামো এবং ক্যাম্পাসিংয়ের মাধ্যমে চাকরির সুযোগ বেশি থাকায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন অনেক কলেজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির সংখ্যা কমে গিয়েছিল। সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতেই পাঠ্যক্রমে এই পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান দীপ্তেন্দুবাবু। তিনি বলেন, বেসরকারি কলেজগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিশ্ববিদ্যালয় এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় ১৬৬টি সরকারি ও সরকারপোষিত কলেজে এই নতুন পাঠ্যক্রম চালু হতে পারে। তবে নতুন বিষয় পড়ানোর জন্য অধ্যাপক নিয়োগের দায়িত্ব কলেজগুলিকেই নিতে হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ।

Advertisement