• facebook
  • twitter
Saturday, 7 March, 2026

সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি খুন মামলায় বেকসুর খালাস রাম রহিম সিং

সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি খুন মামলায় ডেরা সাচা সওদা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংকে বেকসুর খালাস দিল পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট।

সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি খুন মামলায় ডেরা সাচা সওদা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংকে বেকসুর খালাস দিল পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট। শনিবার আদালত তার বিরুদ্ধে আগের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় বাতিল করে দেয়। তবে অন্য একটি ধর্ষণ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাকে।

পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি শীল নাগু এবং বিচারপতি বিক্রম আগরওয়ালের বেঞ্চ এই রায় দেয়। আদালত গুরমিত রাম রহিম সিংকে খালাস দিলেও এই মামলার আরও দুই অভিযুক্তের করা আবেদন খারিজ করে দেয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আগের আদালতের পর্যবেক্ষণ বহাল রাখে।

Advertisement

এর আগে ২০১৯ সালে একটি বিশেষ আদালত সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি হত্যাকাণ্ডে গুরমিত রাম রহিম সিংসহ মোট চার জনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৬ বছর পরে সেই রায় ঘোষণা হয়েছিল, যা নিয়ে তখন দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়।

Advertisement

হাইকোর্টের এই রায় ঘোষণার আগে মামলার প্রমাণপত্র এবং তথ্য বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হয়। বিশেষ করে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বলে দাবি করা গুলিকে ঘিরে বিতর্ক সামনে আসে। আদালতের পর্যালোচনায় এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

যদিও এই মামলায় খালাস পেয়েছেন গুরমিত রাম রহিম সিং, তবু তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না। কারণ ২০১৭ সালে একটি ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিনি বর্তমানে কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই একাধিক বার তাকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সেই সময়গুলির বেশিরভাগ সময় তিনি উত্তরপ্রদেশের বাগপত জেলায় অবস্থিত ডেরা সাচা সওদার আশ্রমেই ছিলেন।

হরিয়ানার সিরসা শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ডেরা সাচা সওদা সংগঠনের উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে বিস্তৃত প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে হরিয়ানা, পাঞ্জাব, রাজস্থানসহ বিভিন্ন এলাকায় এই সংগঠনের বিপুল সংখ্যক অনুসারী রয়েছে।

হরিয়ানার সিরসা, ফতেহাবাদ, কুরুক্ষেত্র, কৈথল এবং হিসার জেলাগুলিতে ডেরা সাচা সওদার প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। এই অঞ্চলগুলিতে সংগঠনটির অনুসারীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ভিত্তি তৈরি করেছে।

Advertisement