• facebook
  • twitter
Saturday, 7 March, 2026

শুরু হল চারধাম যাত্রার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন

উত্তরাখণ্ড সরকার জানিয়েছে, ১৯ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়া থেকে শুরু হচ্ছে এই যাত্রা। ১৯ খুলবে গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী। ২২ এপ্রিল খুলবে কেদারনাথের মন্দির এবং ২৩ এপ্রিল খুলবে বদ্রিনাথ

চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে চারধাম যাত্রা। ৬ মার্চ থেকে চারধাম যাত্রার জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকার জানিয়েছে, ১৯ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়া থেকে শুরু হচ্ছে এই যাত্রা। ১৯ খুলবে গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী। ২২ এপ্রিল খুলবে কেদারনাথের মন্দির এবং ২৩ এপ্রিল খুলবে বদ্রিনাথ। নতুন নিয়মে চারধাম যাত্রার জন্য পুণ্যার্থীদের নাম রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবেই নাম রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। ৬ মার্চ সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া।

জানা গিয়েছে, তীর্থযাত্রীরা নিজেদের মোবাইল থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এর জন্য সরকারি চারধাম যাত্রা পোর্টাল বা এই অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। সেখানে মোবাইল নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর নামপরিচয়পত্রঠিকানা, যাওয়ার দিন-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে হবে। কোথা থেকে যাত্রা শুরু করবেন সেই তথ্য দিতে হবে। তারপর ফর্ম সাবমিট করলেই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি অফলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। সেক্ষেত্রে ১৭ এপ্রিল অর্থাৎ যাত্রা শুরুর ২ দিন আগে অফলাইনে নাম রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ থাকছে।

Advertisement

অফলাইনে নাম রেজিস্ট্রেশনের জন্য হরিদ্বার, হৃষীকেশ এবং দেরাদুনে কাউন্টার খোলা হবে। সাধারণত প্রতি বছর এপ্রিল মে মাসে হাজার হাজার দর্শনার্থীর ভিড় জমে চার ধামে। হিমালয়ের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্গম এলাকায় পুণ্যার্থীদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হয় স্থানীয় প্রশাসনকে। কতজন দর্শনার্থী উপস্থিত থাকবেনসেই হিসেব না থাকার কারণেই সমস্যায় পড়তে হয় প্রশাসনকে।

Advertisement

সেই সমস্যা দূর করতেই নাম রেজিষ্ট্রেশনের সিদ্ধান্ত। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীও মজুত রাখা যাবে। যাত্রীদের ফোন নম্বর ঠিকানা-সহ বিস্তারিত তথ্য থাকার ফলে যে কোনও ধরনের সাহায্য অতি দ্রুত পাঠানো সম্ভব হবে৷ উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ, বদ্রিনাথগঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী এই ৪ তীর্থস্থানকে একসঙ্গে চারধাম বলা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা চারধাম যাত্রাকে বিশেষ পুণ্যের বলে মনে করেন। 

Advertisement