• facebook
  • twitter
Wednesday, 4 March, 2026

প্রবীণ সাংবাদিক এইচ কে দুয়া আর নেই, শোকস্তব্ধ দেশ

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরল অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। দেশের সংবাদজগতে তাঁর প্রয়াণ এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেই মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।

ফাইল চিত্র

দেশের প্রবীণ সাংবাদিক, বিশিষ্ট কলাম লেখক এবং পদ্মভূষণ সম্মানপ্রাপ্ত এইচ কে দুয়া ৮৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এদিন দিল্লির বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে সাংবাদিক মহল থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্ব— সর্বত্র নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তাঁর স্ত্রী, সন্তান ও নাতি-নাতনিরা রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় সাংবাদিকতা করেছেন এইচ কে দুয়া। দেশের বিভিন্ন প্রথম সারির সংবাদপত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। নিরপেক্ষ ও দৃঢ় মতামতের জন্য তিনি পাঠকমহলে বিশেষভাবে সম্মানিত ছিলেন। জাতীয় রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো নিয়ে তাঁর বিশ্লেষণ বরাবরই গুরুত্ব পেয়েছে।

Advertisement

সাংবাদিকতার পাশাপাশি সংসদীয় ক্ষেত্রেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনি মনোনীত সদস্য হিসেবে রাজ্যসভায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন। দেশের প্রতি তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। সহকর্মীদের কথায়, ‘তিনি শুধু সম্পাদক নন, তিনি ছিলেন এক প্রতিষ্ঠান। সংবাদকে কীভাবে জনস্বার্থের হাতিয়ার করা যায়, তা তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন।’

Advertisement

প্রবীণ এই সাংবাদিকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রনেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব শোকজ্ঞাপন করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, দেশের গণতান্ত্রিক চেতনা রক্ষায় এইচ কে দুয়ার ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরল অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। দেশের সংবাদজগতে তাঁর প্রয়াণ এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেই মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। তাঁর লেখনী, মূল্যবোধ এবং সাহসী অবস্থান আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের পথ দেখাবে— এমনটাই মত অভিজ্ঞ মহলের।

Advertisement