গত শনিবার এসআইআর প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত এই তালিকায় প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্থির ঘোলা নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রফিক। তিনি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। তাঁর কাছে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড সবই রয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে রফিকের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশের তরফে দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। রফিকের মৃত্যুতে তাঁর স্ত্রী আমিনা বিবির অভিযোগ, ‘এসআইআর প্রক্রিয়ায় শুনানিতে সমস্ত নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপরেও ভোটার লিস্টে নামের পাশে লেখা ছিল বিচারাধীন। এরপর থেকেই আতঙ্কে ভুগছিলেন তিনি।’
রফিকের মৃত্যুতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। মগরাহাট পশ্চিমের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ইমরান হাসান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের একের পর এক তুঘলকি সিদ্ধান্তের জেরেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বহু প্রান্তিক মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। রফিক আলির মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সেই তুঘলকি সিদ্ধান্তের আরও একটি নজির হয়ে রইল।’ আবার বিজেপি নেতা সুফল খাটু বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে তদন্তের আগেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৃণমূল গল্প বাঁধছে।’




