• facebook
  • twitter
Friday, 27 February, 2026

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা, কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশের খুলনা

শুক্রবার দুপুরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। দুপুর ১টা ২২ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় এই কম্পন। এরফলে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার বহুতল আবাসন, অফিস এবং বিপণিগুলিতে কম্পন অনুভূত হয়। অনেকেই ভয়ে তড়িঘড়ি করে ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। প্রথমে কেউ কেউ মাথা ঘোরা বা অসুস্থতা ভেবে বিভ্রান্ত হলেও পরে চিৎকার-চেঁচামেচিতে পরিস্থিতির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

মার্কিন ভূতত্ত্ব পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৩ এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনার সাতক্ষীরা। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯.৮ কিলোমিটার গভীরে। অন্যদিকে ভারতের ভূতত্ত্ব সর্বেক্ষণ সংস্থা (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি)জানিয়েছে কম্পনের মাত্রা ৫.৫ বলে উল্লেখ করেছে। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে কেন্দ্রস্থলের দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার।

Advertisement

কলকাতার পাশাপাশি দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া-হুগলি ও দুই ২৪ পরগনাসহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কম্পন অনুভূত হয়। নদিয়া ও মুর্শিদাবাদেও মৃদু কাঁপুনি টের পাওয়া গিয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরে জেলাশাসকের দপ্তরের কর্মীরাও আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে আসেন। বিভিন্ন আবাসনে সিলিং ফ্যান দুলতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও পুরনো বাড়ি হেলে পড়ার আশঙ্কার কথা স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পুরসভা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।হাওড়া এবং হুগলিতেও একই পরিস্থিতি। সেখানেও বাড়ি ছেড়ে ভয়ে রাস্তায় বেরিয়ে যান অনেকে। তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

Advertisement

এদিকে শুক্রবারই দুপুরে সিকিমে বেলা ১২টা নাগাদ ভূমিকম্প হয়েছে। কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৪। যদিও তাতেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা নাগাদ কলকাতায় ভূমিকম্প হয়। কেন্দ্রস্থল ছিল মায়ানমার। কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। অল্প সময়ের ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজ্যবাসীর মধ্যে

 

 

 

Advertisement