• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 7 June, 2026

শিকড়ের টানে মুখর গিরিশ মঞ্চ, ‘লোক উৎসব ১৪৩২’-এ ভ্রমরার সুরের আসর

বাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকগানকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য। শিকড়ের টানেই এ দিন বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন গিরিশ মঞ্চে।

নিজস্ব চিত্র

বাংলার মাটির গন্ধমাখা গান আর হারিয়ে যেতে বসা লোকঐতিহ্যকে সামনে রেখেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গিরিশ মঞ্চে আয়োজিত হল ‘লোক উৎসব ১৪৩২’। লোকসংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র ‘ভ্রমরা’র উদ্যোগে এই আয়োজন ঘিরে ভিড় জমালেন অসংখ্য সঙ্গীতপ্রেমী।

বাংলার মাঠ-ঘাট আর প্রান্তরের ধুলোয় মিশে আছে শিকড়ের গান। ১৯৬২ সাল থেকে সেই সুর সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ব্রত নিয়েছে ‘ভ্রমরা’। সংস্থার প্রাণপুরুষ শিবব্রত কর্মকারের নিরলস পরিশ্রমে আজ বিশ্বদরবারে সমাদৃত বাংলার লোকগান। সেই উত্তরাধিকারই বয়ে চলেছে ভ্রমরা।

এই ঐতিহ্যের ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে এ বার যেন চাঁদের হাট বসেছিল গিরিশ মঞ্চে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পী চন্দনা মজুমদার ও কিরণ চন্দ্র রায়। উপস্থিত ছিলেন কল্যাণী রায় মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কর্ণধার সুব্রত রায়।

ভ্রমরার সদস্য আমানত ফকির ও রীনা দাস বাউলের মায়াবী কণ্ঠে মুগ্ধ হয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকরা। একের পর এক লুপ্তপ্রায় লোকসঙ্গীত পরিবেশনায় যেন ফিরে এল গ্রামবাংলার আবহ। সুর, তাল আর কথার মেলবন্ধনে গড়ে উঠল এক আবেগঘন পরিবেশ।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকগানকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য। শিকড়ের টানেই এ দিন বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন গিরিশ মঞ্চে।

সব মিলিয়ে, ‘লোক উৎসব ১৪৩২’ শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলার লোকঐতিহ্যকে নতুনভাবে চিনে নেওয়ার এক আন্তরিক প্রয়াস।