• facebook
  • twitter
Thursday, 12 February, 2026

মেটিয়াবুরুজে ‘১০ সন্তানের এক বাবা’, তদন্তে কমিশন

প্রয়োজনে আইনানুগ পদক্ষেপ করার কথাও জানানো হয়েছে। কমিশনের এক আধিকারিক জানান, ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ নির্ভুল রাখতে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র

মেটিয়াবুরুজে ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনির সময় সামনে এসেছে এক অদ্ভুত ঘটনা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মেটিয়াবুরুজের পার্ট নম্বর ৫৫-তে একই ব্যক্তিকে বাবা দেখিয়ে ১০ জনের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। আরও চাঞ্চল্যের বিষয়, ওই তালিকায় তৃতীয় ও চতুর্থ সন্তানের বয়সের পার্থক্য মাত্র এক মাস— যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নথি অনুযায়ী, ওই ব্যক্তির নাম আবদুল হাই। তবে কোথাও কোথাও তাঁর নাম লেখা হয়েছে আবদুল হাই শেখ। মা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে মনোয়ারা বিবির নাম। তিনি মেটিয়াবুরুজের ৫৫ নম্বর পার্টের বাসিন্দা। তাঁর সন্তানের দশজনের এনিউমারেশন ফর্মে পার্ট নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর এক হওয়ায় গোটা বিষয়টি কমিশনের নজরে আসে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার দেখা গিয়েছে, জন্মের আগেই তৈরি ছিল বার্থ সার্টিফিকেট।

Advertisement

তালিকায় দেখা গিয়েছে, ১৯৮৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে জন্ম তারিখ দেখিয়ে একাধিক ছেলে-মেয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু ১৯৯০ সালের ৫ ডিসেম্বর জন্মানো এক সন্তানের পরেই ১৯৯১ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম আর এক সন্তানের তথ্য থাকায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

Advertisement

ঘটনাটি সামনে আসতেই সংশ্লিষ্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও)-কে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রয়োজনে আইনানুগ পদক্ষেপ করার কথাও জানানো হয়েছে। কমিশনের এক আধিকারিক জানান, ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ নির্ভুল রাখতে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। অবৈধ ভোটারদের আটকানোই কমিশনের মূল লক্ষ্য।

কোন বছরে কোন‌ সন্তান
১/১/৮৪ প্রথম সন্তান
১/১/৮৮ দ্বিতীয় সন্তান
৫/১২/৯০ তৃতীয় সন্তান
১/১/৯১ চতুর্থ সন্তান
১৪/৮/৯৪ পঞ্চম সন্তান
১১/৪/৯৬ ষষ্ঠ সন্তান
১/১/৯৭ সপ্তম সন্তান
১/১/৯৮ অষ্টম সন্তান
১০/৩/২০০০ নবম সন্তান
১৩/১২/২০০৪ দশম সন্তান

Advertisement