• facebook
  • twitter
Tuesday, 20 January, 2026

নিখোঁজ মেয়ের জন্য বাবার লড়াই— ‘রান অ্যাওয়ে’

সিরিজে অভিনয় করেছেন জেমস নেসবিট, রুথ জোন্স, মিননি ড্রাইভার এবং এলি ডি ল্যাং। তারা চরিত্রের আবেগ, দ্বিধা এবং চাপকে বাস্তবভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

শুভম বোস

নতুন বছরের শুরুতেই নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে নতুন থ্রিলার সিরিজ রান অ্যাওয়ে। বিখ্যাত লেখক হারলান কোবেনের উপন্যাস থেকে অনুপ্রাণিত এই সিরিজটি মোট আটটি পর্বে উপস্থাপন করেছেন পরিচালক নিমের রাশেদ।

Advertisement

গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন সাইমন গ্রিন, একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত লোক। তার বড় মেয়ে পেইজ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। প্রথমে মনে হয় এটি কেবল সাময়িক সমস্যা, কিন্তু ধীরে ধীরে বোঝা যায়, পেইজ বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়েছেন।

Advertisement

মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে সাইমন একের পর এক অজানা সত্যের মুখোমুখি হন। পেইজ কোথায় আছে এবং কীভাবে আছে, তা বোঝার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি এক বিস্তৃত অপরাধ এবং রহস্যের জালে পড়েন। সাইমন বুঝতে পারেন অন্ধকার জগৎ বলতে তিনি যতটুকু বুঝতেন তার বাইরেও অনেক বড় একটা জগত আছে।
এই খোঁজে তার পাশে আছেন একজন গোয়েন্দা এবং কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা। প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু উদ্দেশ্য আছে।

গল্পে ধীরে ধীরে দেখা যায়, পেইজের অতীত ও পরিবারের লুকানো সম্পর্কগুলো সাইমনকে নতুন নতুন তথ্যের সামনে নিয়ে আসে।

সিরিজ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে দেখা যায় পেইজ নিজেকে রক্ষা করতে ভুল পথে পদক্ষেপ নেয়, যা পুরো পরিবারকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে ফেলে দেয়।

সিরিজে অভিনয় করেছেন জেমস নেসবিট, রুথ জোন্স, মিননি ড্রাইভার এবং এলি ডি ল্যাং। তারা চরিত্রের আবেগ, দ্বিধা এবং চাপকে বাস্তবভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ছোট ছোট ক্লু, অপ্রত্যাশিত মোড় এবং রহস্যের ধারাবাহিকতা দর্শককে শেষ পর্যন্ত গল্পের সঙ্গে যুক্ত রাখতে বাধ্য।

রান অ্যাওয়ে কেবল নিখোঁজ মেয়ের খোঁজের গল্প নয়। এটি এক বাবা-মায়ের ভাঙা হৃদয়, পরিবারের লুকানো সম্পর্কের আবেগ এবং শেষ পর্যন্ত সত্যের মুখোমুখি হওয়ার গল্প। গল্পের ছন্দ, চরিত্রের অনুভূতি এবং আবেগ দর্শককে সহজেই কানেক্ট করতে পারে।

যাঁরা থ্রিলার ও আবেগমিশ্রিত গল্প পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি দেখার মতো সিরিজ।

Advertisement