বেশ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড জমা দেওয়ার নিয়ম আগেই চালু করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার। সেই ভিসা বন্ড তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নামও। এবার থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী বা পর্যটকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের মোটা অঙ্কের জামানত দিতে হবে। এই অঙ্কের পরিমাণ ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অঙ্কের পরিমাণ ১৮ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা(ভারতীয় মুদ্রায় ১৩ লক্ষের বেশি)। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এখনও পর্যন্ত এই ভিসা বন্ড তালিকায় রয়েছে মোট ৩৮টি দেশ।
আমেরিকার বিদেশ দপ্তরকে উদ্ধৃত করে এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর কোনও ব্যক্তি যাঁর পাসপোর্ট রয়েছে, তিনি যদি আমেরিকার ভিসা পাওয়ার যোগ্য হন, তাহলে তাঁকে ভিসা বন্ড হিসেবে ৫ হাজার থেকে শুরু করে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত টাকা জমা দিতে হবে। ভিসার জন্য আবেদন করা ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় এই টাকার পরিমাণ চূড়ান্ত করা হবে।
Advertisement
আমেরিকার বিদেশ দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আবেদনকারীকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তরের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘পে.গভ’-এ বন্ড সংক্রান্ত শর্তে সম্মতি জানাতে হবে। ট্রাম্প প্রশানের যুক্তি, আমেরিকায় ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও অনেকেই আমেরিকায় থেকে যাচ্ছেন। সেই প্রবণতা রোধ করতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
Advertisement
এইচ-১বি ভিসা, গ্রিন কার্ডের জন্য কড়া পদক্ষেপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। গত বছরের আগস্টে কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড জমা দেওয়ার নীতি কার্যকর করে আমেরিকা। মঙ্গলবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশও। এছাড়াও ভেনেজুয়েলা, অ্যাঙ্গালা, আলজেরিয়া, বুরুন্ডি, কিউবা, নেপাল, নাইজেরিয়া উগান্ডা, জিম্বাবোয়ের মতো দেশগুলির ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে।
এই ভিসা বন্ড ব্যবস্থা আপাতত ১২ মাসের মেয়াদে একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচী হিসেবে চালু করা হচ্ছে। ভিসার সব শর্ত মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে এই বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
Advertisement



