• facebook
  • twitter
Saturday, 7 February, 2026

যুদ্ধবিরতি বহাল, তবুও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত, সাংবাদিক বৈঠকে জানাল ভারতীয় সেনা

শনিবারের সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার পাকিস্তানের দাবি ভুয়ো বলে খারিজ করে দেয় দিল্লি।

যুদ্ধবিরতি বহাল থাকলেও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত থাকছে ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনার তরফে শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানানো হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতে পাকিস্তানের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের বেশ কিছু সামরিক কাঠামোর বিপুল ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পাক বিমানঘাঁটিগুলিও ভয়ঙ্করভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সূত্রের খবর, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে গোলাবর্ষণ এবং সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের বিষয়ে উভয় দেশই সরাসরি প্রচেষ্টা চালিয়েছে।এই বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সমাজ মাধ্যমে লেখেন যে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে ভারত ও পাকিস্তান তাতক্ষণিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। একটি দায়িত্বপূর্ণ, বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমি উভয় দেশকে অভিনন্দন জানাই।’

Advertisement

অন্যদিকে শনিবারের সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার পাকিস্তানের দাবি ভুয়ো বলে খারিজ করে দেয় দিল্লি। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০কে ধ্বংস করতে পারেনি পাক যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭। এর পাশাপাশি সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ভারত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। তাই পাকিস্তানের কোনও ধর্মীয় পরিকাঠামো নিশানা করে হামলা চালায়নি ভারত। ইসলামাবাদের এই সংক্রান্ত দাবি মিথ্যে বলে দাবি দিল্লির।

Advertisement

পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ভারতে হামলার বিষয়ে একাধিক দাবি করে। ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধরের আদমপুরে মোতায়েন ভারতের  এস-৪০০ বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের ‘অপারেশন বুনিয়ান মারসুস’-অভিযানের আওতায় হামলা চালানো হয়।

পাকিস্তানের তরফে দাবি করা হয়েছে, ভারতের বিয়াসে অবস্থিত ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র গুদামঘরও ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া উদমপুর, আদমপুর, সুরতগড় ও পাঠানকোটের বিমানঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের ‘ফাতাহ-২’ মিসাইল সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

Advertisement