• facebook
  • twitter
Saturday, 11 April, 2026

জনপ্রিয় কন্নড় অভিনেতা ও পরিচালক গুরুপ্রসাদের রহস্যমৃত্যু

দুইদিন ধরে তাঁর ফ্ল্যাটের কাছ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হতেই প্রতিবেশীরা খবর দেন পুলিশে। খবর পেয়েই তাঁর ফ্ল্যাটে ছুটে আসে বেঙ্গালুরুর পুলিশ।

গুরুপ্রসাদ। ফাইল চিত্র

ফের আত্মহত্যার ঘটনায় শোরগোল কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। কন্নড় ছবির জনপ্রিয় পরিচালক গুরুপ্রসাদ চলে গেলেন মাত্র ৫২ বছর বয়সে। স্থানীয় মিডিয়া সূত্রে খবর, সিলিং ফ্যান থেকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন পরিচালক। কর্নাটকের মদনায়কানহল্লি স্থিত নিজ বাসভবন থেকেই উদ্ধার হয়েছে পরিচালকের পচাগলা মরদেহ।

কিন্তু কী কারণে আত্মহননের মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে হল পরিচালককে? জানা গিয়েছে সম্প্রতি ফের বিয়ে করেছিলেন গুরুপ্রসাদ। ‘মাতা’, ‘এদেলু মঞ্জুনাথ’-এর ছবি পরিচালনা করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। তাঁর আসন্ন প্রোজেক্ট ‘আদেমা’র কাজ এখনও শেষ হয়নি। শুধু ক্যামেরার পিছনে নয়, ক্যামেরার সামনেও সমান স্বচ্ছন্দ ছিলেন তিনি। বেশ কিছু কন্নড় ছবিতে অভিনয়ও করেছেন পরিচালক।

Advertisement

সম্প্রতি পরিচালকের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল। টোটাল কন্নড় বুকস্টোরের মালিক লক্ষ্মীকান্ত প্রয়াত পরিচালকের নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, ২০১৯ সালে কন্নড় সাহিত্য ও সিনেমার সম্পর্কিত নানান বই কিনেছিলেন তিনি। ১০০টি বইযের উপর ছাড়ও দাবি করেছিলেন। ৭৫টি বইয়ের মোট ৫টি করে সেট কিনেছিলেন ছাত্রদের জন্য। সেই বইয়ের ৬৫ হাজার টাকা দাম মেটাননি তিনি।

Advertisement

এমনকি ফোনে পর্যন্ত যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না পরিচালকের সঙ্গে, বাড়ির ঠিকানা পর্যন্ত বদলে ফেলেন গুরুপ্রসাদ। গতকয়েকদিন ধরেই পরিচালককে বাড়ির বাইরে বেরোতে দেখেননি প্রতিবেশীরা। অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু হলে পুলিশে খবর দেন তাঁরা। পুলিশ এসে পরিচালকের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement