নেপালে হড়পা বানে (Nepal Flash Flood) মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১,২০০। বুধবার পর্যন্ত পাওয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,২০৪। এখনও নিখোংজ রয়েছে ৪,২১৬ জন। দুর্গত এলাকায় টানা আটদিন ধরে চলছে তল্লাশি ও উদ্ধার কাজ।
প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি ভূ-প্রকৃতির কারণে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা এখনও নিখোঁজদের সন্ধান, মৃতদেহ উদ্ধার এবং পরিচয় শনাক্তকরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে (Nepal Flash Flood) নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। দুর্গতদের সাহায্যে ইতিমধ্যেই ৬৮ টনেরও বেশি জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে কম্বল, স্লিপিং ব্যাগ, ভারী ত্রিপল, প্লাস্টিক শিট ও স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত কিট। পাশাপাশি পাঠানো হয়েছে প্রয়োজনীয় ওষুধ, খাবারের প্যাকেট, সৌরবাতি, জল বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং বহনযোগ্য জেনারেটর।
এদিকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাড়তে থাকা বিপর্যয়ের ঝুঁকি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের আরও বেশি করে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ, সরকারের রিপোর্টে উদ্বেগজন ছবি
বিশেষজ্ঞদের মতে, নেপাল-চিন সীমান্তের (Nepal Flash Flood) কাছে ভোটে কোশী নদীর একটি উপনদী লেংডে খোলায় তুষারধসের কারণে জলপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল। পরে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ জল প্রাকৃতিক বাধা ভেঙে বেরিয়ে এসে ভয়াবহ হড়পা বানের আকার নেয়। সেই জলস্রোত ত্রিশূলী নদীর দিয়ে বয়ে একাধিক জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
নেপালের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, উত্তর ও মধ্য নেপালের বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলার পাশাপাশি বন্যায় মৃতদের জন্য অস্থায়ী (Nepal Flash Flood) সমাধিস্থলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং নিখোঁজদের সন্ধানে দিনরাত কাজ করছে উদ্ধারকারী দল।
দেখুন: রহস্য, রোমাঞ্চ আর অন্ধকারের গল্প, আসছে বাংলা ডার্ক থ্রিলার ‘ঘুণ গাঁও চ্যাপ্টার ১