• facebook
  • twitter
Thursday, 26 February, 2026

সাব-জুনিয়র জাতীয় ভলিবলে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা হয়রানির মুখে

বাংলার প্রাক্তন ভলিবল খেলোয়াড় বলেছেন, যেভাবে এই প্রতিযোগিতা চলছে এবং সাব-জুনিয়র ভলিবলারদের প্রতি যে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা গ্রিনিজ বুকে ওঠার মতো।

প্রতীকী চিত্র

এ কি কাণ্ড! হচ্ছে টা কী! হুগলি জেলার পোলবা স্পোর্টস একাডেমির মাঠে চলছে ৪৬তম সাব-জুনিয়র জাতীয় ভলিবল প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের যেভাবে হয়রানির মধ্যে পড়তে হচ্ছে, তা কল্পনারও অতীত। আয়োজক পশ্চিমবঙ্গ ভলিবল সংস্থার এ ব্যাপারে কোন ভ্রূক্ষেপ নেই। সারারাত ধরে খেলা চলছে। ভলিবল খেলোয়াড়দের আগেভাগে জানানো হচ্ছে না, তাদের কখন খেলতে হবে। এমনিতে থাকার ব্যবস্থাপনায় ভলিবল খেলোয়াড়দের হয়রানির শেষ নেই। কোথাও দেখা গিয়েছে মাচা তৈরি করে তাদেরকে শোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গভীর রাতে খেলোয়াড়রা খেলে বাসে করে রওনা দিচ্ছেন ভদ্রেশ্বরে। আবার খেলোয়াড়দের খাবারের ব্যবস্থা কী হবে, সে বিষয়ে আগেভাগে জানা যাচ্ছে না।

শোনা গিয়েছে, বেশ কয়েকটি রাজ্যের খেলোয়াড়রা তাদের নির্দিষ্ট জায়গা ছেড়ে পোলবা থেকে চলে এসেছে ব্যান্ডেলে। ইতিমধ্যেই বেশকিছু ভিনরাজ্যের কর্মকর্তারা আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এমনকি ভারতীয় ভলিবল সংস্থার কাছে তাঁরা প্রতিবাদ করে চিঠি দিয়েছেন। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের উপরে যেভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, তা ভাবা যায় না। সারারাত ধরে খেলা যেমন চলছে, আবার দেখা গিয়েছে ভোরের সূর্য ওঠার আগে সেই খেলা চলছে। বাংলা রাজস্থানের খেলা রাত আড়াইটে নাগাদ শুরু হয়। আবার সূর্য ওঠার আগে খেলা শুরু হয় তামিলনাড়ু ও হিমাচল প্রদেশের মধ্যে।

Advertisement

বাংলার প্রাক্তন ভলিবল খেলোয়াড় বলেছেন, যেভাবে এই প্রতিযোগিতা চলছে এবং সাব-জুনিয়র ভলিবলারদের প্রতি যে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা গ্রিনিজ বুকে ওঠার মতো। আমরা নিজেরা যখন খেলেছি, তখন কোনও সময়ের জন্যই সারারাত ধরে খেলা হয়নি। তবে আয়োজক রাজ্য ভলিবল সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই ধরনের খেলা সারারাত ধরেও হয়। এখন যদি বড়দের খেলা হত, তাহলে কি এই ধরনের ব্যবস্থা আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে নেওয়া সম্ভব হত?

Advertisement

Advertisement