• facebook
  • twitter
Monday, 16 March, 2026

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিল দক্ষিণ আফ্রিকা

১৪ রানে ২ উইকেট জেরাল্ড কোয়েৎজের। পাশাপাশি, ২২ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন ওটনিল বার্টম্যান এবং ২৫ রানে ২ উইকেট পেয়েছেন কেশব মহারাজ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড হেরে গেল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। ঘরের মাঠে মিচেল স্যান্টনারের দল হারল ৭ উইকেটে। মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের ২২ গজের উইকেটে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে হারের মধুর বদলা নিল দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়রা। প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ৩ ওভারে ৯১ রানে অল আউট হয়ে যায়। জবাবে ১৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৯৩ তুলে সহজেই জয় পেয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর রবিবার প্রথম খেলতে নেমে দু’দল। দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জয় পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন স্যান্টনার। কিন্তু ঘরের মাঠে বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে তারা। পর পর আউট হয়ে যান ডেভন কনওয়ে (১), টম লাথাম (৭), টিম রবিনসন (৬), নিক কেলিরা (২)। ২১ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর আর লড়াই ফিরতে পারেননি নিউজিল্যান্ড। ব্যাট হাতে দলকে ভরসা দিতে ব্যর্থ বিভন জ্যাকবস (১০) এবং অধিনায়ক স্যান্টনার (১৫)। তবে, চাপের মধ্যেও কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন জেমস নিশাম। ২১ বলে ২৬ রান করেন তিনি। এছাড়া, শেষদিকে কোল ম্যাককোঞ্চি ১৫ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এনকোবানি মোকেয়না ২৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। ১৪ রানে ২ উইকেট জেরাল্ড কোয়েৎজের। পাশাপাশি, ২২ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন ওটনিল বার্টম্যান এবং ২৫ রানে ২ উইকেট পেয়েছেন কেশব মহারাজ।

Advertisement

জয়ের জন্য ৯২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকাও। ওপেনার টনি ডি জোর্জি (২) এবং তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা রুবিন হার্মান (৭) দ্রুত আউট হন। চার নম্বরে নেমে জেসন স্মিথও রান পাননি (১০)। তাতে অবশ্য সমস্যা হয়নি। অন্য ওপেনার কনর এস্টারহুইজেন পরিস্থিতি সামাল দেন। তিনি ৪৮ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। দু’টি চার এবং দু’টি ছক্কা হাঁকান তিনি। তাঁর সঙ্গে ১৬ রানে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ডিয়ান ফর্স্টার। কিউয়িদের হয়ে একটি করে উইকেট পেয়েছেন কাইল জেমিসন, জ্যাক ফকস এবং স্যান্টনার।

Advertisement

দু’দলই বিশ্বকাপ খেলা অধিকাংশ ক্রিকেটারকেই এ দিন বিশ্রাম দিয়েছিল। খেলেননি এডেন মার্করামও। দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেতৃত্ব দেন মহারাজ। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা সাতটি ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিলেন মার্করামরা। কিন্তু ইডেন গার্ডেন্সে সেমিফাইনালে তাঁরা হেরে যান স্যান্টনারদের কাছে। তারপর নিউ জিল্যান্ড প্রথম দেখাতেই সেই হারের বদলা নিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

Advertisement