রাজ্যস্তরে ক্রীড়া শাসন আইন কতটা কার্যকর, উঠল প্রশ্ন

Photo: Statesman

দেশের ক্রীড়া প্রশাসনে বদল আনার লক্ষ্যে জাতীয় ক্রীড়া শাসন আইন ২০২৫। কিন্তু রাজ্যস্তরে সেই আইনের বাস্তবায়ন কতটা হচ্ছে? ক্রীড়া সংস্থাগুলির কাজকর্মে আদৌ কতটা পরিবর্তন এসেছে? এই প্রশ্নগুলিই সামনে রেখে মঙ্গলবার কলকাতায় আয়োজিত ‘স্কোরবুক ২০২৬’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে আলোচনা হল। আলোচনায় অংশ নেন আইএফএ-র সচিব অনির্বাণ দত্ত এবং সাংবাদিক অর্কদীপ্ত মুখোপাধ্যায়। সঞ্চালনায় ছিলেন ক্রীড়া প্রশাসক রঙ্গন মজুমদার।

রাজ্যস্তরে ক্রীড়া প্রশাসনের বাস্তব চিত্র, আইনের প্রয়োগ এবং তার প্রভাব নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মহিলাদের আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে। কোনও একটি খেলা বাণিজ্যিক সাফল্য না পেলেও তৃণমূল স্তরে বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়ন চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটার দেবাং গান্ধী এবং স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার আঞ্চলিক অধিকর্তা শিবানন্দ মিশ্র। অন্যান্য অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল এস এন মুখোপাধ্যায় (অবসরপ্রাপ্ত), শুভজ্যোতি চক্রবর্তী, সাংবাদিক অনির্বাণ সিনহা রায়, পদ্মশ্রী জ্যোতির্ময়ী শিকদার, সাংবাদিক বিশ্বজিৎ দাস, ড. রাজর্ষি কর এবং ড. সুদর্শন বিশ্বাস।


আরও পড়ুন: আর্থার অ্যাশে ফিরে ফেডেরারের আবেগঘন বার্তা— ‘সমর্থকদের ধন্যবাদ জানানোর এটাই সেরা সুযোগ’

ক্রীড়া ও কর্পোরেট সংস্কৃতির সম্পর্ক, জার্সির বাণিজ্যিকীকরণ, অ্যান্টি-ডোপিং, খেলোয়াড়দের চোট, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়েও আলোচনা হয়। সব মিলিয়ে পদক বা সাফল্যের বাইরেও দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, শক্তিশালী ও টেকসই করার দিকেই নজর ছিল ‘স্কোরবুক ২০২৬’-এর এই আয়োজনের।