নতুন কোচের অধীনে প্রথম দুই ম্যাচে জয় অধরা ছিল। নিউক্যাসল এবং নটিংহ্যাম ফরেস্ট—দুই দলের বিরুদ্ধেই ২-২ গোলে ড্র করে শুরুটা হয়েছিল লিভারপুলের। শুক্রবার ইপসউইচ টাউনের বিরুদ্ধে আর ভুল করেনি তারা। আলেকজান্ডার ইসাকের জোড়া গোলে ২-০ জিতল লিভারপুল। একই ম্যাচে নতুন কোচ আন্দোনি ইরাওলার অধীনে প্রথম জয় এল, পাশাপাশি সদ্য যোগ দেওয়া ব্র্যাডলি বারকোলারও লিভারপুলের জার্সিতে অভিষেক হল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলেছিল লিভারপুল। মাত্র ছ’মিনিটেই প্রথম গোল। কোডি গাকপোর পাস পেয়ে বক্সের ডান দিক থেকে জোরালো শটে ইপসউইচ গোলরক্ষক কিয়েল শেরপেনকে পরাস্ত করেন ইসাক। তিন মিনিট পরেই ফের ইসাকের গোল। এ বারও গোলের কারিগর গাকপো। লম্বা পাসে ইপসউইচের রক্ষণ ভেঙে দেন তিনি। বল পেয়ে দুরন্ত দক্ষতায় গোলরক্ষককে কাটিয়ে বাঁ পায়ে শট নেন ইসাক। ন’মিনিটের মধ্যেই ২-০ লিভারপুল। খেলার ফলও সেটাই।
<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>KYLIAN MBAPPE PENALTY MISS 90+5 <a href=”https://t.co/iQHwwfjVW9″>pic.twitter.com/iQHwwfjVW9</a> <a href=”https://t.co/5yMRaL3KKg”>https://t.co/5yMRaL3KKg</a></p>— Janty (@CFC_Janty) <a href=”https://x.com/CFC_Janty/status/2095981333881274528?ref_src=twsrc%5Etfw”>September 4, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>
গ্রীষ্মের দলবদলে প্যারিস সঁ জরমঁ থেকে ১২৩ মিলিয়ন পাউন্ডে লিভারপুলে যোগ দেওয়া বারকোলা এ দিন শুরুতে ছিলেন বেঞ্চে। ৬৩ মিনিটে মাঠে নামেন ফরাসি তারকা। লিভারপুলের জার্সিতে এটাই তাঁর প্রথম ম্যাচ। ইসাকের জায়গায় তাঁকে নামান ইরাওলা।শেষ পর্যন্ত আর গোল না হলেও গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
ইসাকের জন্যও ম্যাচটা ছিল স্পেশ্যাল। গত মরসুমে চোটের কারণে লিভারপুলের হয়ে মাত্র চারটি গোল করেছিলেন তিনি। এ বার মরসুমের শুরুতেই তিনটি গোল হয়ে গেল তাঁর। ইরাওলার অধীনে লিভারপুলের আক্রমণে তাই সুইডিশ স্ট্রাইকারের ফর্ম বড় স্বস্তি।
হার রিয়াল মাদ্রিদের, শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি নষ্ট এমবাপের
শুরুটা স্বপ্নের মতোই হয়েছিল। হোসে মোরিনিও ফিরে আসার পর লা লিগায় প্রথম তিন ম্যাচেই জয় পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু চতুর্থ ম্যাচেই থেমে গেল সেই নিখুঁত দৌড়। বেটিসের কাছে ০-১ হেরে মরসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেল মোরিনহোর দল। আর সেই হার আরও যন্ত্রণাদায়ক হয়ে উঠল কিলিয়ান এমবাপের শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি নষ্টে।
শুক্রবার সেভিয়ার লা কার্তুহায় ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে বেশি সক্রিয় ছিল রিয়াল। প্রথমার্ধে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের শট পোস্টে লাগে। এমবাপেকেও (Mbappe) দু’বার আটকে দেন বেটিসের নাথান এবং মার্ক বার্ত্রা। অর্থাৎ গোলের সুযোগ তৈরি করেও প্রথম ৪৫ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারেনি মাদ্রিদ।
দ্বিতীয়ার্ধে গরমের কারণে ম্যাচের গতি কিছুটা কমে যায়। সেই সুযোগেই ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে থাকে বেটিস। ৬৮ মিনিটে পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামানো ট্রয় প্যারটই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেন। ৮১ মিনিটে নেলসন দেওসার হেড ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া। ফিরতি বলের সামনে ছিলেন প্যারট। এক মুহূর্ত দেরি না করে বল জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। বেটিস ১-০ এগিয়ে যায়।
এর পর নাটক আরও জমে ওঠে। কার্লোস এস্পি-র দুরন্ত বাইসাইকেল কিক জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। কিছুক্ষণ পর এমবাপের (Mbappe) শট ক্রসবারে লাগে। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে নাথানের চ্যালেঞ্জে ভিনিসিয়াস বক্সের মধ্যে পড়ে গেলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। কিন্তু সেই সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি এমবাপে। তাঁর শট বাঁচিয়ে দেন বেটিসের গোলরক্ষক আলভারো ভালেস।
হারের পরও নিজের দলের খেলায় খুব একটা খুঁত খুঁজে পাননি মোরিনিয়ো। হতাশ কোচ বলেন, ‘আমরা কী ভাবে হারলাম, জানি না। দল হিসাবে আমরা খুব ভাল খেলেছি। কোনও ফুটবলারের মনোভাব নিয়েই আমার অভিযোগ নেই। আমরা জেতার যোগ্য ছিলাম। কিন্তু জেতার যোগ্য হওয়া মানেই পয়েন্ট পাওয়া নয়।’ পেনাল্টি নষ্ট হওয়া নিয়েও এমবাপেকে দায়ী করতে চাননি মোরিনিও।
দেখুুন: <iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/WEeXpNvrVVE?si=k893z1GrTWPTSHSO” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>