• facebook
  • twitter
Sunday, 1 February, 2026

মোহনবাগানের কোচ হোসে মোলিনার কি বিদায় আসন্ন

মোহনবাগানের কোচ হোসে মোলিনা বেশ বিরক্ত হয়েই বলেছেন, আমি কাউকে সই করার জন্য কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করিনি।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

গোয়ার মাঠে সুপার কাপ ডার্বি ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টস ও ইস্টবেঙ্গলের খেলাটি গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পরেই মোহন কোচ হোসে মোলিনাকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই প্রশ্নে কোচকে দোষী সাব্যস্ত করে হয়তো বিদায়ের ঘণ্টা বাজতে পারে। মোহনবাগান ওইদিন যে খেলা খেলেছে, তাতে কোনওভাবেই দাগ কাটতে পারেনি। কোচ হোসে মোলিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করার প্রবণতায় তার প্রতিফলন পড়েছে খেলায়। নিজেই যে সিদ্ধান্ত নেন, সেই সিদ্ধান্তকেই সেরা বলে মনে করেন তিনি। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নেমে যেভাবে ছক কষা উচিত ছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে কোচ মোলিনা খেলোয়াড়দের মধ্যে সমন্বয় নষ্ট করেছেন। এমনকি গত ম্যাচে ডেম্পোর বিরুদ্ধে কেন তিনি নিয়মিত খেলোয়াড়দের বসিয়ে প্রথম একাদশ গঠন করেছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফাইনালে ভরাডুবি হলে সেদিনই কোচ মোলিনার বিজয় ঘণ্টা বেজে যেত।

মোহনবাগানের কোচ হোসে মোলিনা বেশ বিরক্ত হয়েই বলেছেন, আমি কাউকে সই করার জন্য কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করিনি। তাঁরা তাঁদেরই পছন্দ মতো খেলোয়াড়দের সই করিয়ে আমার কাছে পাঠিয়েছেন। হয়তো কোচের পরামর্শ তাঁদের কাছে প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু তিনি যে দল পেয়েছিলেন, তা নিয়ে খেলাবার চেষ্টা করেছেন। এমনকি এএফসি-২ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ইরানে না যাওয়া নিয়ে কোচকে দোষারোপ করা হয়েছে। তবে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মোহনবাগানের কোনও লড়াকু ভূমিকা ছিল না। সেই সুযোগে ইস্টবেঙ্গলও কিন্তু বাজিমাত করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

Advertisement

ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে মুখ খোলাতে বিরাগভাজন হয়েছেন কোচ হোসে মোলিনা। হয়তো খুব সম্ভবত আগামী কোনও আলোচনা সভায় তাঁর কার্যকাল নিয়ে কথা উঠবে। ম্যানেজমেন্ট তো কোচ মোলিনার কাজে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। এদিকে এখন এএফসি ফুটবল ম্যাচের কারণে সুপার কাপ ১৫ দিন বন্ধ থাকবে।
শনিবার একই বিমানে কলকাতার দুই প্রধানের ফুটবলাররা ফিরেছেন। বিমানে দেখা গিয়েছে কোচ হোসে মোলিনা মনমরা হয়ে বসে রয়েছেন। সেইভাবে কারওর সঙ্গে কথাও বলেননি।

Advertisement

Advertisement