সাংবাদিকদের মারধর করার অভিযোগে ধৃত ১৪, ধর্মতলার মিছিল থেকে আক্রমণ

Total 14 Arrest File Photo

নিট আন্দোলনের নামে হিংসা ছড়ানোর ঘটনায় গ্রেফতারের সংখ্যা হলো ১৪। রবিবার আদালতে পেশ করা হবে ধৃতদের। ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করেছে কলকাতার গোয়েন্দা বিভাগ। তবে গ্রেফতারির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে লালবাজার।
শনিবার রাত পর্যন্ত গ্রেফতারির সংখ্যা ছিল ১১। গভীর রাতে অ্যান্টি রউডি স্কোয়াডের রেড এর পর আরও বাড়ে ধৃতের সংখ্যা। ১১ বেড়ে হয় ১৪। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে শাহবাজ খান, বাড়ি কড়েয়ায়। শেখ মহম্মদ সলমান হোসেন, বাড়ি রাজাবাগান ও মহম্মদ জহিরউদ্দিন মাল ভাঙড়ের বাসিন্দা। সিসিটিভি ও সংগৃহীত বিভিন্ন মুভি ক্লিপের নমুনা দেখে আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করছে কলকাতা পুলিশ।

মোট ৭০ জনকে চিহ্নিত আগেই করেছিল লালবাজার। তার থেকে ১৪ জন গ্রেফতার হয়েছে। বাকি ৬৬ জনও ধরা পড়বে, জানিয়েছে পুলিশ সূত্র। শুক্রবার ককরোচ জনতা পার্টির মিছিল ছিল কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত। মিছিল ধর্মতলার কাছে আসতেই ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধে।শুরু হয় মারধর। পুলিশকেও ছাড়ে নি কিছু উগ্রবাদী। মার খেতে হয় সাংবাদিকদেরও।এই উগ্রবাদীরা সিজেপির সদস্য নয় বলেই পুলিশকে জানিয়েছে সংগঠনের মুখপাত্র। মিছিল হাইজ্যাক করার ষড়যন্ত্র করেছিল বহিরাগতরা।

ওই দিন রাতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেন পুলিশকে। এর পরেই শুরু হয় চিহ্নিতকরণ ও ধরপাকড়।গুণ্ডাদমন আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। প্রয়োগ করা হয় বিএনএস-এর জামিন অযোগ্য ধারাও। হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছ’টি এবং এন্টালিতে একটি, মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


তদন্তে পুলিশ জেনেছে মিছিলে বিশৃঙ্খলা ঘটিয়েই ভিনরাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার ছক ছিল দুষ্কৃতীদের। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান কুণাল আগরওয়াল জানিয়েছেন মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজ ভিন রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের অন্ডাল থেকে গ্রেফতার করে অ্যান্টি রাওডি স্কোয়াড।