মহাষ্ঠমী তিথিতে সকাল থেকেই পুজোমণ্ডপগুলিতে অঞ্জলি দিচ্ছেন নাগরিকরা। প্রত্যেক পাড়ায় সেই ছবি দেখা যাচ্ছে। তবে রাস্তাঘাটে আগের থেকে ভিড় কমেছে। আসলে চোরবাগান দুর্ঘটনার পর থেকে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন। কিন্তু এই আবহেও পুলিশ কাজ করে চলেছে। মহাষ্টমীর দিনই বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর দায়ের হয়েছে। যার ভিত্তিতে সোমবার অষ্টমীর দিনই তাঁকে তলব করেছে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ দুর্গাপুজোর সময় এমন তলব কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
তবে কোন বিষয়ে এফআইআর হয়েছে কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কুণালের ঘনিষ্ঠদের বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক একটি অভিযোগ করেছিলেন। তার পাল্টা হিসাবে এফআইআর দায়ের হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। কুণালের উপর যে হামলা হয়েছিল তাতে বিজেপির লোকজন জড়িত বলে তাঁর দাবি। তার জেরে এই এফআইআর কিনা সেটা পুলিশ কিছু জানায়নি। তবে পুলিশ কাজ করে চলেছে।
কুণাল ঘোষের উপর ইতিমধ্যেই পরপর দু’দিন হামলার ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমটি হুগলির উত্তরপাড়ায় এবং দ্বিতীয়টি তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র বেলেঘাটাতেই। এই নিয়ে কোনও এফআইআর কিনা সেটা স্পষ্ট হয়নি। তবে চোরবাগান দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুমিছিল নিয়ে কুণাল কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছিলেন। এমনকী নানা তথ্য সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন। তাতে নানা প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। সে বিষয়ে পুলিশ তাঁর কাছ থেকে কিছু জানতে চান কিনা সেটাও একটা ব্যাপার।
তাছাড়া কদিন আগে কাকলি ঘোষদস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষদস্তিদারের অভিযোগের ভিত্তিতে বারাসত থানাতেও হাজিরা দিতে যেতে হয়েছিল কুণাল ঘোষকে। দুর্গাপুজোর মধ্যেও থানা তাঁর পিছু ছাড়ল না। যদিও এই তলব নিয়ে কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, অষ্ঠমীর দুপুরে তিনি নারকেলডাঙা থানায় যাবেন। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন। এমনকী পুলিশের কাজে সহযোগিতা করবেন।