‘বিজেপি এত বড় হতো কী করে, যদি সবাইকে না নিতাম আমরা’, দরজা খোলার ইঙ্গিত দিলীপের

Dilip Ghosh Photo-SNS

সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষে পুরসভার নির্বাচন হবে। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে। ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়ানো-সহ প্রার্থী চয়ন করার প্রক্রিয়া সব দলই শুরু করে দিয়েছে বলে খবর। বিজেপিও ড্রপ বক্স খুলে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিল। এই আবহে দলবদলের বিষয়টি সামনে চলে আসছে। বেশ কয়েকজন তৃণমূল কাউন্সিলর এবার বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বলে সূত্রের খবর। তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এমন পরিস্থিতিতে দরজা খোলা রাখার ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

এদিকে কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভার নির্বাচনের আগে দলবদল হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে দলবদল করা কোনও নতুন ট্রেন্ড নয়। চলতি বছরের শেষে কলকাতা-হাওড়া পুরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা। বাকি পুরসভার নির্বাচন হবে সম্ভবত ফেব্রুয়ারি মাসে। এই আবহে তৃণমূলের টিকিটে কাউন্সিলর হওয়া বেশ কয়েকজন বিজেপি থেকে টিকিট পেতে পারে বলেও জোর চর্চা চলছে। সেই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বরং অনেকে যে দলবদল করতে চাইছে সেটাও ইঙ্গিত দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন তিনি।

অন্যদিকে দলবদল করে যাঁরা আসবেন তাঁদের যে নেওয়া হবে সেটাও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী। এতে তিনি কোনও খারাপ দেখছেন না। এমনকী এটাকে একটা ফ্যাশন হিসাবেই দেখেন তিনি। কিন্তু কারা আসছেন বিজেপিতে? কারা টিকিট পাবেন? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার আগেই বলেছিলেন, যাঁদের জেতার ক্ষমতা আছে তাঁরাই টিকিট পাবেন। আর এবার দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ভোট এলে অনেকেই চায় দলবদল করতে। এটা একটা ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে।’


তাছাড়া তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ কদিন আগেই দাবি করেছেন, তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া ৪৪ জনকে বিজেপি টিকিট দিতে চলেছে পুরসভা নির্বাচনে। আসলে ওদের লোক নেই। তাই এই পথ ধরতে হচ্ছে। এটা কি বিজেপির তৃণমূলীকরণ নয়? যদিও দিলীপ ঘোষের পাল্টা বার্তা, ‘রাজনৈতিক কর্মীরা পার্টি পাল্টাতে থাকে। পার্টিও প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের নিয়েই থাকে। বিজেপি এত বড় হতো কী করে, যদি সবাইকে না নিতাম আমরা। গণতন্ত্রে সবার এই অধিকার আছে। জনতাই শেষ কথা বলে।’