সংগঠিত অপরাধ, জঙ্গি কার্যকলাপ ও রাষ্ট্রবিরোধী মামলার তদন্তে গতি আনতে পশ্চিমবঙ্গে এনআইএ-র নিজস্ব থানা গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিল রাজ্য মন্ত্রীসভা। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখনই বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয়। ফলে থানাটি কোথায় হবে বা কবে থেকে কাজ শুরু করবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডের পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে এনআইএ তদন্ত চালিয়ে আসছে। জালনোট পাচার, বিস্ফোরণ, মাওবাদী কার্যকলাপ-সহ একাধিক মামলার তদন্ত করলেও রাজ্যের সব মামলাই এখনও দিল্লিতে নথিভুক্ত হয়। এনআইএর নিজস্ব থানা চালু হলে পরিকাঠামো ও জনবল বৃদ্ধি পাবে এবং তদন্তের গতি আরও বাড়বে বলে মনে করছে প্রশাসন।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান সীমান্তে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। সেই প্রেক্ষিতেই ভবিষ্যতের প্রয়োজন মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া মন্ত্রীসভায় আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে ভুটান সীমান্তে এসএসবির জন্য ৩২ একর জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিএসএফের কাঁটাতার ও সীমান্ত চৌকি নির্মাণের জন্যও জমি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের আদলে পশ্চিমবঙ্গে স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এসআইএ) গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।