আনন্দপুর থানার অন্তর্গত আরবানা সংলগ্ন এলাকার কাছে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটল। মৃত্যু হল এক মোটরবাইক চালকের। তিনিই মোটরবাইক চালাচ্ছিলেন। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও একজন। শনিবার ভোর ৪টে নাগাদ চৌবাগা এবং আনন্দপুর রোডের সংযোগস্থলে চার চাকা গাড়ির সঙ্গে মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। কলকাতার রাস্তায় মত্ত অবস্থায় মোটরবাইক চালানোর সময় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল যুবকের। পথ দুর্ঘটনার সময় আরবানা ক্রসিংয়ের রাস্তায় মোড় ঘোরার সময়ে একটি চার চাকার গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় মোটরবাইকের। দুর্ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মোটরবাইক চালকের। আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরোহী।
পুলিশ সূত্রে খবর, আরবান ক্রসিংয়ের কাছে ভোর ৪টে ২০ মিনিট নাগাদ পথ দুর্ঘটনা ঘটে। একটি মোটরবাইক আরোহীকে নিয়ে চৌবাগা রোড ধরে দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে যাচ্ছিল। তখন একটি চার চাকার গাড়ি আনন্দপুর রোড ধরে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আসছিল। মোড়ের কাছে দুটি গাড়ি মোড় ঘুরলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তাতে রাস্তায় ছিটকে পড়েন দুই মোটরবাইক আরোহী প্রত্যুষ পানাই (৩০) এবং প্রসূন কুমার (২৭)। প্রত্যুষের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তাঁকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মোটরবাইকের পিছনে বসা অপর আরোহী প্রসূন কুমার ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার গান্ধীনগরের বাসিন্দা। চিকিৎসার জন্য তাঁকে রুবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পথ দুর্ঘটনার পরই চার চাকা গাড়ি ফেলে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দিয়েছে চালক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, মোটরবাইকের চালক এবং আরোহী কারও মাথাতেই হেলমেট ছিল না। আর তাঁরা মত্ত অবস্থায় ছিলেন। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রসূন কুমার মেঘনাথ সাহা ইনস্টিটিউটের পড়ুয়া। স্থানীয় সূত্রে খবর, পথ দুর্ঘটনার ভয়াবহ দৃশ্য দেখে চার চাকার গাড়ির চালক গাড়ি সেখানেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
তাছাড়া দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রত্যুষ পানাইকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এনআরএস হাসপাতালে। ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছিল যুবকের। পুলিশ সূত্রে খবর, পথ দুর্ঘটনায় প্রত্যুষের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থান পড়েছিলেন রাস্তায়। আহত প্রসূনও ইএম বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি এবং মোটরবাইক বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। খোঁজ চলছে গাড়ির চালকের।