সামনেই কালীপুজো ও দীপাবলির মতো উৎসব রয়েছে। আর এই সময় চারিদিকে বাজি ফাটানোর প্রবণতা দেখা যায়। এর আগেই রাজ্য সরকার বাজি ফাটানোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। এবার ফানুস ওড়ানোর বিষয়েও একাধিক বিধিনিষেধ জারি হয়েছে।
শুক্রবার পরিবেশমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও বলেছেন, ‘নির্ধারিত সময়ের বাইরে বাজি ফাটানো বরদাস্ত করা হবে না। বাজি সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ জানাতে প্রশাসনিক হেল্পলাইন নম্বর দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ফোন করলে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। পাড়ায় পাড়ায় আমরা গিয়ে ক্যাম্প করব। সকলকে সর্তক করা হবে।’
পুলিশ ও দমকল বিভাগও সম্প্রতি ফানুস ওড়ানোর বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ডিজি ও পরিবেশমন্ত্রী জানান, বিনা অনুমতিতে ফানুস ওড়ানো অবৈধ। ফানুস ওড়ানোর আগে দমকল বিভাগের আগাম অনুমতি বা লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। তাই চলতি বছর ফানুস ওড়ানোর আগে দমকল বিভাগের অনুমতি নিয়ে তা করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ নবান্ন সভাঘরে বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, কালীপুজোয় সাইলেন্স জোন বা শান্ত এলাকাগুলিতে সম্পূর্ণ নীরবতা পালন করতে হবে। হাসপাতাল, স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের পরিধির মধ্যে কোনও ধরনের শব্দবাজি বা বাজি ফাটানো যাবে না। বাজি বাজারগুলিতে কোনও বেআইনি বা নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি হচ্ছে কি না, সেটাও প্রশাসনকে খতিয়ে দেখতে হবে।
চলতি বছরে রাজ্য সরকার বাজি ফাটানোর সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন, কালীপুজোর দিন রাতে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি ফাটানো যাবে। এদিকে, ছটপুজোর দিন সকালে ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বাজি ফাটানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি বাজি বাজার যেন নিরাপদ জায়গায় বসে, তা পুরসভা ও পুলিশ-প্রশাসন সুনিশ্চিত করবে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও অ্যাম্বুল্যান্স রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।