নবমী-দশমী কেমন কাটবে? দুর্গাপুজোর শেষলগ্নে আবহাওয়া দপ্তর দিল বড় আপডেট

No Rain Hot Weather Photo-ANI

দেশ থেকে বর্ষা বিদায়ের পরেও স্থানীয় বজ্রগর্ভ মেঘের প্রভাবে রাজ্যের কয়েকটি জায়গায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে। এবার নবমী এবং দশমীতে আপাতত সেই সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সুতরাং দুর্গাপুজোর শেষ লগ্নে নবমীর দিন ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে বৃষ্টির মুখোমুখি হতে হবে না। তবে বৃষ্টি না হলেও গরমের অস্বস্তি থেকে এখনই মুক্তি মিলবে না। দিনের বেলায় তাপমাত্রা থাকবে বেশি। রোদের তেজে গরমের অনুভূতি হবে। তাই আবহাওয়ার কথা মাথায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহবিদরা। আর বৃষ্টি না হওয়ায় নবমীতে চুটিয়ে ঠাকুর দেখা যাবে।

অষ্টমীর দিনে রাজ্যের কোথাও তেমন কোনও বৃষ্টি হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাতে উৎসব ভালভাবেই পালন করতে পারবেন রাজ্যবাসী। গোটা রাজ্যে আপাতত তাপমাত্রার তেমন হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। সকালে অস্বস্তিকর গরম থাকলেও সন্ধ্যে থেকে তা তুলনামূলক কমবে। মঙ্গলবার, নবমীর দিন কলকাতায় আকাশ আংশিক মেঘলা সকালে দেখা গেলেও বেলা বাড়তেই কড়া রোদ দেখা গিয়েছে। তবে এখন বৃষ্টি হবে না। তার জেরে নবমী পুজো উপভোগ করতে পারবেন শহরবাসী।

আকাশে এখন মেঘের আনাগোনা থাকলেও সেটা থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত কম। সুতরাং নবমী এবং দশমীতে পুজো মণ্ডপে ঘোরার পরিকল্পনা যাঁরা করছেন তাঁদের জন্য এই পূর্বাভাস অনেকটা স্বস্তির খবর। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাই উৎসবে মেতে উঠতে বড় কোনও আবহাওয়াজনিত বাধার আশঙ্কা নেই। দিনের বেলায় গরম এবং আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে দুপুরের দিকে রাস্তায় বেরোলে গরম বেশি অনুভব হবে। তাই দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকলে পর্যাপ্ত জল পান করা এবং রোদ থেকে বাঁচার ব্যবস্থা রাখা জরুরি।


তাছাড়া উত্তরবঙ্গেও আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। সকালের দিকে উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় কুয়াশার মতো দেখা দিয়েছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। গরম অনুভূত হতে থাকে। রাতের দিকে আবহাওয়া তুলনামূলক মনোরম থাকছে। সুতরাং উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির কারণে দুর্গাপুজোর পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। আর শীত আসতে দেরি আছে রাজ্যে।