শেক্সপিয়ার সরণি থানার তলবে হাজিরা দিলেন না অভিষেক, সময় চেয়ে পাঠালেন ইমেল

MP Abhishek Banerjee Photo-SNS

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে হাজিরা এড়ালেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিলবোর্ড খোলার সময় পুরকর্মী এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া থেকে শুরু করে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার অভিষেকের বাড়িতে গিয়ে নোটিস দিয়েছিলেন শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ। সেখানে উল্লেখ ছিল, সোমবার সকাল ১০টায় তৃণমূল সাংসদকে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় হাজিরা দিতে হবে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও হাজিরা দিলেন না অভিষেক। ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় ইমেল করেছেন অভিষেক বলে সূত্রের খবর। ওই চিঠিতে অভিষেক উল্লেখ করেছেন, তলবের আগে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময় তাঁর দরকার।

এদিকে ওই বিলবোর্ড খোলার ঘটনা নিয়ে তিনটি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত করছে পুলিশ। তার আগে একবার ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করা হয়েছিল। তিনি হাজিরাও দিয়েছিলেন। আবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তদন্তকারীরা। রবিবার তাই অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিয়ে এসেছিলেন তাঁরা। কলকাতা পুরসভার আরও একটি এফআইআরের ভিত্তিতে সোমবার শেক্সপিয়ার সরণি থানায় তলব করা হয় মমতা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় ইমেল পাঠিয়েছেন অভিষেক বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শেক্সপিয়ার সরণি থানায় ইমেলের মাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁকে তলব করার ক্ষেত্রে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে জানাতে হবে। থানায় হাজিরা দেওয়ার আগে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময় তাঁর প্রয়োজন। কারণ নানা রাজনৈতিক কর্মসূচি তাঁর থাকে। এখন নয়াদিল্লি যাওয়ার কথাও রয়েছে। সেখানে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক রয়েছে। সেখান থেকে ফেরার পর শেক্সপিয়ার সরণি থানায় গিয়ে তিনি হাজিরা দিতে পারবেন। আগেও বারবার যে কোনও তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সুতরাং আবারও সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তিনি। এবার কর্মসূচি থাকায় সময় চাইছেন।


তাছাড়া পুলিশ এবং পুরকর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। তাঁদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে কলকাতা পুরসভা। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তলব করলেও হাজিরা দিলেন না অভিষেক। তবে এর পরের তারিখ কবে সেটা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও জানানো হয়নি।