শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চান তিনি। বেআইনি পার্কিং যাতে না থাকে তার চেষ্টা করছেন তিনি। শহরকে জঞ্জালমুক্ত করে স্বাভাবিক যাতায়াতের ব্যবস্থা করতেই পথে নেমে কাজ করছেন। রাজপথ থেকে শুরু করে ফুটপাত, অলিগলি এবং বাজার এলাকায় ঘুরে কাজ করছেন তিনি। আর তারই একটা মন্তব্য নিয়ে সমাজমাধ্যমে ট্রোল করা হয়েছে। যার জবাব রবিবার সপাটে দিলেন পুরমন্ত্রী। হ্যাঁ, তিনি অগ্নিমিত্রা পাল। যাঁকে শহরের রাস্তাঘাটে সারাদিন কাজ করতে দেখা হচ্ছে। রাজ্যের পুরমন্ত্রী হয়েও পথেই আছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী।
এদিকে ফুটপাত যেন হকারদের দখলে চলে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখেছেন তিনি। হকারদের ব্যবসা করতে বাধা দিচ্ছেন না তিনি। বরং হকারদের ব্যবসা বজায় রেখে সাধারণ মানুষ যাতে ফুটপাত ব্যবহার করতে পারেন সেদিকে জোর দিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাই অবৈধ পার্কিং নয় এবং বেআইনিভাবে কোনও দোকান যাতে না হয় সেটাই পথে ঘুরে ঘুরে সচেতন করছেন তিনি।। এই বিষয়ে বারবার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শহরকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে রোজ নিয়ম করে পথে নামেন তিনি। প্রয়োজনে কখনও ধমক দেন, কখনও আবার বুঝিয়ে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। কদিন আগে একটি বাজারে ঢুকে দোকানের সামনে সাইকেল দেখে মন্ত্রী প্রশ্ন করেন, সাইকেল কেন দোকানের সামনে থাকবে? আর মন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এবার সেই ট্রোলারদেরই সপাটে জবাব দিলেন অগ্নিমিত্রা পাল।
অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে তিনি এতদিন কিছু বলেননি। কিন্তু ট্রোল করতে গিয়ে একজন মহিলা মন্ত্রীকে যেভাবে অপমান করা হয়েছে এবার সেটারই জবাব দিলেন অগ্নিমিত্রা। তাই রবিবার ছুটির দিন ট্রোলারদের উদ্দেশে পুরমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারের ভিতর সাইকেল ঢুকিয়ে রেখে দিচ্ছে। আমার বক্তব্য, যেখানে দোকান আছে সেখানে সাইকেল রাখবেন না। আমায় ট্রোল করে বলছে, সাইকেল কী মাথায় রাখব? কেন মাথায় রাখবেন? বাজারের বাইরে তো পার্কিং রয়েছে সেখানে রাখুন। যেখানে সেখানে কোনও সাইকেল, মোটরবাইক বা গাড়ি পার্কিং করা যাবে না। আর কথা না শুনলে ফাইন করা হবে। তাই বাজারের ভিতর দোকানের সামনে গাড়ি পার্কিং মোটেই উচিত নয়।’
তাছাড়া মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখেই পরামর্শ দিয়েছেন পুরমন্ত্রী। বারবার মানুষকে সচেতন করতেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এমনকী যত্রতত্র সাইকেল, মোটরবাইক রেখে দিলে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। সেসব যাতে না হয় তাই সাইকেল রাখতে নিষেধ করেছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অগ্নিমিত্রা পাল বলছেন, ‘সাইকেল কার? থানায় জমা নেব? বাজারের মধ্যে সাইকেল রাখার জায়গা? কী ভেবেছ যা খুশি তাই করবে? এটা আগের সরকার নয় যে একটা ঝান্ডা ধরে নিলাম তারপর যা খুশি তাই করব।’