সাধারণ মানুষ নিজের উপার্জিত অর্থ ব্যাঙ্কে গচ্ছিত রেখে নিশ্চিন্ত হন। কিন্তু যে রক্ষক তার বিরুদ্ধেই যদি ভক্ষণের অভিযোগ ওঠে তাহলে? ঠিক এরকমই ঘটনা ঘটেছে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সেই ব্যাঙ্কের ডেপুটি ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ তদন্তে নামে। এরপরেই কলকাতা পুলিশ উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার আনন্দনগর এলাকা থেকে ধৃত মমতা কুমারীকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার ধৃতকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃত মমতা কুমারী উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তিনি চেতলার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখার ডেপুটি ম্যানেজার পদে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, এক গ্রাহকের কাছ থেকে তিনি ক্রেডিট কার্ড নিয়ে নিয়েছিলেন। সেই কার্ড দিয়ে তিনি ১ লক্ষ টাকার কেনাকাটি করেন। এমনকী ওই গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ধৃত ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তুলেও নিয়েছিলেন।
জানা গিয়েছে, মমতা কুমারী ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে মোট ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে এত টাকা গায়েব হওয়ার পরেই ওই গ্রাহক চেতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই গ্রাহকের অভিযোগ, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার হিসেবে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অভিযুক্ত গ্রাহকের গোপনীয় তথ্য আত্মসাৎ করেছে। গ্রাহকের কাছ থেকে সেই অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ তদন্তে নামে।
আরও পড়ুন: চোখের চিকিৎসায় ছাড়পত্র পেলেন অভিষেক, শর্তসাপেক্ষে অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের
সূত্রের খবর, পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, ধৃত মমতা কুমারী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি উত্তরপ্রদেশে আত্মগোপন করে রয়েছেন। এরপরেই পুলিশ উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার আনন্দনগরে পৌঁছয়। সেখান থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। তবে অভিযুক্ত কেন এই ঘটনা ঘটালেন? এর পিছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।