ভাঙড়ের বেলিয়াডাঙা গ্রামে নৃশংস খুন

প্রতীকী চিত্র

দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়ের বেলিয়াডাঙা গ্রামে নৃশংস খুনের ঘটনা। শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম আতাবুদ্দিন মোল্লা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই। ঘটনার তদন্ত করছে মাধবপুর থানার পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার(অপরাধ দমন) কুণাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, ‘শনিবার রাত প্রায় ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ এক ব্যক্তি মাধবপুর থানায় এসে নিজের পরিচয় দেন গোলাম সরওয়ার মোল্লা বলে। পুলিশের কাছে তিনি দাবি করেন, রাত ৯টা নাগাদ তিনি তাঁর তুতো ভাই আতাবুদ্দিন মোল্লাকে কুপিয়ে খুন করেছেন। এরপরই পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয় এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।’
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখে, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং সেখানে স্থানীয়দের ভিড় জমেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম জানান, ‘আমি  ওই এলাকার স্থানীয় মাদ্রাসার ছাত্র। আমিই প্রথম আতাবুদ্দিন মোল্লাকে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তাঁর শরীরে একাধিক কোপের চিহ্ন ছিল এবং চারদিকে রক্ত ছড়িয়ে ছিল। বিষয়টি দেখে আমি সঙ্গে সঙ্গে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষকে খবর দিই এবং মৃতের পরিবারের সদস্যদেরও বিষয়টি জানাই।’
গুরুতর আহত অবস্থায় আতাবুদ্দিন মোল্লাকে প্রথমে চিকিৎসার জন্য দুটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। পরে নালমুড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতের স্ত্রী গোলাম সরওয়ার মোল্লা ও গোলাম মোস্তাফার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(১) এবং ৩(৫) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
পুলিশ ইতিমধ্যেই গোলাম সরওয়ার মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে। অন্য অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।