ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা (Ashutosh Ranka) ও সৌরভ দাস (Sourav Das)-কে পাঁচদিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ তাঁদের দিল্লির মার্গ মন্দির থানায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজিরা করানো হয়। দু-পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব শোনার পর এই নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, এই ঘটনায় ধৃত অজিঙ্ক শিন্ডেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, শান্তিভঙ্গ না করার শর্তে বন্ডে সই করার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>Ashu and Saurav have been sent to 5 days judicial custody. Their fault? Unfurling tricolour at Jantar Mantar. Show some guts, @narendramodi. If you’re so determined to crush dissent, have the courage to officially declare an Emergency instead of hiding behind these cowardly tactics.</p>— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) <a href=”https://x.com/abhijeet_dipke/status/2110209061556002969?ref_src=twsrc%5Etfw”>October 14, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>
সিজেপি (CJP)-র আইনজীবী অভিষ্ট হেলার জানিয়েছেন, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দিল্লি পুলিশ জানায় আশুতোষ (Ashutosh Ranka) ও সৌরভ (Sourav Das) ফোন করে যন্তর মন্তরে লোক জড়ো করেছিলেন। তার পরেই তাঁরা বেআইনিভাবে ওই এলাকায় প্রবেশ করেন। দুই নেতাকে মুক্তি দেওয়া হলে তাঁরা ফের অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়তে পারেন বলেও আদালতে যুক্তি দেয় পুলিশ।
আরও পড়ুন: মহাসপ্তমীতে বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, যেতে পারেন বেলুড় মঠ-শ্রীভূমি
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা এবং ভোটার তালিকায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ তুলে আন্দোলন চালাচ্ছে সিজেপি (CJP)। যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভের জন্য দিল্লি পুলিশের কাছে আবেদনও করেছিল তাঁরা। কিন্তু সোমবার দিল্লি পুলিশ ওই এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির সুপারিশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। যন্তর মন্তরের পরিবর্তে বিক্ষোভের জন্য রাজধানীর তিনটি জায়গা নির্দিষ্ট করা হয়েছে রামলীলা ময়দান, বুরাড়ি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি।
তবে এই নির্দেশ অমান্য করেই মঙ্গলবার সকালে যন্তর মন্তরের গেট টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন সিজেপির (CJP) তিন শীর্ষনেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শিন্ডে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কয়েক জন দলীয় সমর্থকও। সেখানে জাতীয় পতাকা মেলে ধরে প্রতিবাদ জানান তাঁরা। এর পরেই পুলিশ তাঁদের আটক করে।
আরও পড়ুন: ৭৫ দিনের মাথায় টুলু মণ্ডলের মামলায় ৪১ পাতার চার্জশিট পেশ আদালতে
মঙ্গলবার রাতে জানা যায়, সৌরভ, আশুতোষ ও অজিঙ্ক-সহ মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার ভোরে সিজেপির(CJP) আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং জানান, সৌরভ, আশুতোষ এবং অজিঙ্ককে গ্রেপ্তার করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয় আগাম সতর্কতামূল ব্যবস্থা হিসেবেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিজেপির (CJP) তিন শীর্ষনেতার বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ এবং সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। বুধবার তাঁদের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হলে সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যদিকে অজিঙ্ককে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
গত শনিবার, ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দের নামার পর সৌরভ ও আশুতোষ সহ সিজেপির (CJP) কয়েক জন নেতাকে ‘প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট’ বা প্রতিরোধমূলক গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে আদালত থেকে এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার শর্তে জামিন পান তাঁরা। আগের বার মুক্তি পেলেও এবার সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের জন্য জেল হেফাজতে থাকতে হবে।
দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/N6g_XzAG6tA?si=1P-FwWNFgBul06Fr” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>