• facebook
  • twitter
Thursday, 29 January, 2026

দিল্লিতে সোয়াট কমান্ডো কাজল চৌধুরির মৃত্যু, গ্রেপ্তার স্বামী

হামলার ৫ দিন পর মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে কাজলের

দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস অর্থাত সোয়াট-এর মহিলা কমান্ডো কাজল চৌধুরিকে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। হামলার ৫ দিন পর মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে কাজলের।

ঘটনাটি ঘটে ২২ জানুয়ারি রাতে। কাজলের স্বামী অঙ্কুর চৌধুরির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই দম্পতি দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির দ্বারকা মোড়ে থাকতেন এবং তাঁদের দেড় বছরের একটি সন্তান রয়েছে। জানা গিয়েছে, কাজল চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের পর থেকে অঙ্কুর ও কাজলের মধ্যে আর্থিক বিষয়কে কেন্দ্র করে অশান্তি চলছিল। ২২ জানুয়ারি অঙ্কুর কাজলের মাথায় ডাম্বল দিয়ে আঘাত করেন এবং ঘরের দেওয়ালে তাঁর মাথা ঠুকে দেন। কাজলের ভাই নিখিল অভিযোগ করেন, হামলার সময় তিনি ফোনে কাজলের সঙ্গে কথা বলছিলেন। পরে অঙ্কুর ফোন করে নিজেই কাজলের উপর হামলার কথা জানান।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, কাজলের স্বামী প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগেই থাকত। কাজলের ভাই নিখিলের অভিযোগ, দিদির শাশুড়ি এবং ননদরা তাঁর দিদির উপর নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। নির্যাতনের খবর পেয়ে তাঁরাই কাজলকে হাসপাতালে ভর্তি করান। কাজলের বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। মা ও গর্ভস্থ সন্তান দুজনেই মারা গিয়েছে। অঙ্কুর একটি নয়, দুটি খুন করেছে।’

কাজল ২০২২ সালে স্নাতক হন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে হরিয়ানার সোনিপতের বাসিন্দা অঙ্কুরের পরিচয় হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। এক বছর পর দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হয়। কাজলের বাবা ও ভাইয়ের অভিযোগ, বিয়ের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই অঙ্কুরের পরিবার গাড়ি ও পণের দাবিতে কাজলকে হেনস্থা করতে শুরু করে।

অভিযোগ, ২২ জানুয়ারির হামলার পর অঙ্কুর কাজলের ভাইকে ফোন করে জানান তিনি কাজলকে মেরে ফেলেছেন এবং পরিবারের লোকজন এসে যেন দেহ নিয়ে যান। এরপর কাজলের পরিবার দিল্লিতে পৌঁছে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে।

Advertisement