প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়কে আগমী দিনে থাকতে হতে পারে ভাড়াবাড়িতে। সরকারি তরফে তাঁর জন্য যে বাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে বর্তমানে সেখানে বাস করছেন অন্য এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ওই বাড়িটি তাঁর ছেড়ে দেওয়ার কথা। নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছরের বেশি সময় দায়িত্ব সামলানোর পর যদি উপরাষ্ট্রপতি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত উপরাষ্ট্রপতিদের মতোই সুযোগসুবিধা দেওয়া হয়। সেই নিয়মে ইস্তফার পরও টাইপ এইট বাংলো পাওয়ার কথা ধনকড়ের।
তবে ইস্তফার পর এক মাস পেরিয়ে গেলেও সরকারি বাংলোর জন্য তিনি আবেদনই করেননি। উল্টে তিনি রাজস্থান বিধানসভায় প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক হিসাবে পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন। বিধানসভা সচিবালয় ধনখড়ের আবেদনটির অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ধনখড় রাজস্থানের দশম বিধানসভার সদস্য ছিলেন। ১৯৯৩ সালে কংগ্রেসের টিকিটে আজমের জেলার কিশনগড় আসন থেকে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ধনখড় বিধায়ক হয়েছিলেন। রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষ বাসুদেব দেবনানি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ধনখড়ের পক্ষ থেকে পেনশনের জন্য আবেদন জমা পড়েছে।
Advertisement
ধনকড়ের জন্য লুটিয়েন্স দিল্লিতে ৩৪ নম্বর এপিজে আবদুল কালাম মার্গের একটি টাইপ এইট বাংলো বরাদ্দ করা হয়েছে বটে, কিন্তু সেই বাড়িতে আবার এখন বাস করছেন এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ওই বাড়িটি তাঁর ছেড়ে দেওয়ার কথা। তবে সমস্যা হল ওই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এখন বাড়ি ছাড়লেও সেটিকে সংস্কার করতে হবে। উপরাষ্ট্রপতির বসবাসের উপযুক্ত করতে হবে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। সেসব করতে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ত দপ্তরের অন্তত ২-৪ মাস সময় লাগবে।
Advertisement
সমস্যা হল জগদীপ ধনকড়কে উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ফাঁকা করতে হবে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই। কারণ ওইদিনই উপরাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন। এই অবস্থায় অস্থায়ীভাবে ছোট কোনও সরকারি বাংলোয় থাকতে হবে ধনখড়কে। নাহলে বেসরকারি কোনও ভাড়াবাড়িতে থাকতে হবে। সূত্রের খবর, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি এক-দু’মাসের জন্য দিল্লির ছাত্তারপুরের এক ভাড়াবাড়িতে ওঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এক কথায় যাকে বেনজির ঘটনা বলা যায়।
Advertisement



